দক্ষিণ কোরিয়ার অনুশীলনে উড়ে এল ড্রোন, বিশ্বকাপে রীতিমত চাঞ্চল্য
বিশ্বকাপে মেক্সিকো ম্যাচের আগে প্রস্তুতি নিচ্ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ঠিক সেই সময়ই তাদের অনুশীলন মাঠের কাছে উড়ে আসে একটি ড্রোন। পরে সেটিকে শনাক্ত করে নামিয়ে আনে মেক্সিকোর সামরিক বাহিনী। এক মেক্সিকান ফেডারেল এজেন্টের দাবি, সামরিক বাহিনী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে দলের শিবিরের কাছাকাছি থাকা একটি ‘নিবন্ধনবিহীন ড্রোন’ চিহ্নিত করে এবং সেটিকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করে দেয়।

বিশ্বকাপে মেক্সিকো ম্যাচের আগে প্রস্তুতি নিচ্ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ঠিক সেই সময়ই তাদের অনুশীলন মাঠের কাছে উড়ে আসে একটি ড্রোন। পরে সেটিকে শনাক্ত করে নামিয়ে আনে মেক্সিকোর সামরিক বাহিনী। এক মেক্সিকান ফেডারেল এজেন্টের দাবি, সামরিক বাহিনী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে দলের শিবিরের কাছাকাছি থাকা একটি ‘নিবন্ধনবিহীন ড্রোন’ চিহ্নিত করে এবং সেটিকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করে দেয়।
তবে ড্রোনটি দক্ষিণ কোরিয়া দলের ওপর নজরদারি বা গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ হং মিয়ুং-বো বলেন, “আমাদের অনুশীলনের সময় আকাশে একটি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। সৌভাগ্যবশত, সেটি ঠিক আমাদের কৌশলগত অনুশীলন শুরুর আগের ঘটনা ছিল, তাই অনুশীলনে কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে ম্যাচের প্রস্তুতির সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক।”
ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে এবং এ নিয়ে কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। ওই ফেডারেল এজেন্ট আরও জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বিশ্বকাপের মেক্সিকোর তিন আয়োজক শহর—মেক্সিকো সিটি, গুয়াদালাহারা ও মনতেরে—সহ বিভিন্ন দলের বেস ক্যাম্প এবং ফ্যান ফেস্টিভ্যালের আশপাশে একাধিক ড্রোন নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
এর আগে, চলতি বছরের মার্চ মাসে মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ ‘প্ল্যান কুকুলকান’ (Plan Kukulkán) নামে একটি বিশেষ বিশ্বকাপ নিরাপত্তা অভিযান ঘোষণা করে। এই পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সামরিক এবং পুলিশ বাহিনীর প্রায় এক লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। স্টেডিয়াম, বিমানবন্দর, সড়কপথ ও হোটেলগুলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং দল, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রোটোকলও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে, নিরাপত্তার স্বার্থে কানাডাও বিশ্বকাপ চলাকালীন ভ্যাঙ্কুভার ও টরন্টোর বিভিন্ন স্টেডিয়াম এবং অনুশীলন কেন্দ্রের ওপর অননুমোদিত ড্রোন ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আগামী ৭ জুলাই, অর্থাৎ দেশটিতে আয়োজিত শেষ ম্যাচ পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।
ড্রোন নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের আগে কানাডার মহিলা ফুটবল দল নিউজিল্যান্ডের অনুশীলন সেশনে নজরদারির জন্য ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় দলের দুই কোচিং স্টাফ এবং প্রধান কোচ বেভ প্রিস্টম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে কানাডা সকার তাঁকে স্থায়ীভাবে পদচ্যুত করে। টোকিও অলিম্পিকের সোনাজয়ী কানাডা দলকে প্যারিস অলিম্পিকে গ্রুপ পর্বে ছয় পয়েন্টও কেটে নেওয়া হয়েছিল।








