উজ্জীবিত কঙ্গোর কাছে আটকে গেল পর্তুগাল, প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ রোনাল্ডোরা
গত রাতে বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন মেসি-এমবাপেরা। আর এক মহাতারকাকে নিয়ে তাই কৌতুহল ছিল, কিন্তু নিজেরাই যে কেঁপে গেলেন রোনাল্ডোরা। কঙ্গোও ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়ে চলে গেল।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক:
গত রাতে বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন মেসি-এমবাপেরা। আর এক মহাতারকাকে নিয়ে তাই কৌতুহল ছিল, কিন্তু নিজেরাই যে কেঁপে গেলেন রোনাল্ডোরা। কঙ্গোও ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়ে চলে গেল। ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল পর্তুগাল। বাঁ প্রান্ত থেকে বাড়ানো পেড্রো নেটোর ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করে যান জোয়াও নেভেস। গোলটি শোধও হয় এরকমই একটি দারুন হেডে, কিন্তু প্রশ্ন তো থেকেই গেল উইসা অত ফাঁকায় কীভাবে হেড করে গেলেন? আশেপাশে ছিলেন না পর্তুগিজ ডিফেন্ডররা।
শুধু এই একবারই নয়, কঙ্গোর ফুটবলাররা খুব দ্রুত গতিতে কাউন্টার অ্যাটাক করছিলেন। যখনই তারা এভাবে আক্রমণে উঠেছে তখনই আক্ষরিক অর্থে কেঁপে গিয়েছে পর্তুগিজ রক্ষণ। এবার অন্যতম ফেবারিট বলা হচ্ছে পর্তুগালকে। কিন্তু কঙ্গোর দ্রুতগতির আক্রমণের সামনেই যদি এত নড়বড়ে অবস্থা হয়, তাহলে পরের দিকে কী হবে? মাথাব্যথার যথেষ্ট কারণ রয়েছে রবার্তো মার্টিনেজের।
কঙ্গোর ডিসিপ্লিন ফুটবলের সামনে কালঘাম ছুটে গেল পর্তুগালের। অন্তত এদিন অন্যতম ফেবারিট বলে মনে হল না, একেবারেই মাঝারি মানের ফুটবল মার্টিনেজের দলের। পেনিট্রেটিভ জোনে ডিফেন্স চেরা পাস কোথায়! যার ফলে তাই গোলের সুযোগও যেমন বেশি তৈরি হল না, তেমনি রোনাল্ডোও বেশি বল পেলেন না। তারই মধ্য ঠিকভাবে শট নিতে পারলে গোল পেতে পারতেন সিআরসেভেন।
ডিআর কঙ্গো বিশ্বকাপের ইতিহাসে যেমন প্রথম গোল করল, তেমনি প্রথমবার কোনও পয়েন্টও পেল। অন্যদিকে দিয়াগো জটাকে শ্রদ্ধা জনাতে পর্তুগিজ ফুটবলাররা এদিন রিস্টব্যান্ড পরে নেমেছিলেন। তবে ম্যাচ শেষে আরও ভারাক্রান্ত তারা। উদ্বেগে, দুশ্চিন্তায়। আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স যেভাবে শুরু করেছে, তার সঙ্গে তাল মেলাতে গেলে কী করতে হবে সেটা আর রবার্তো মার্টিনেজের চেয়ে ভাল আর কে জানেন!








