কার্লসেনের পর সিনদারভ, পরপর দুই ম্যাচে সময়ের কাছে হার আনন্দের
৮ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে গ্লোবাল চেস লিগের ম্যাচে পিবিজি আলাস্কান নাইটসের হয়ে খেলছিলেন আনন্দ। প্রতিপক্ষ ছিলেন এফওয়াইইআরএস আমেরিকান গ্যাম্বিটসের সিনদারভ। ম্যাচের শেষদিকে সিনদারভ ড্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু জয়ের আশায় সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন আনন্দ। তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: গ্লোবাল চেস লিগে বিশ্বনাথন আনন্দের কঠিন সময় যেন কাটছেই না। একদিন আগেই ম্যাগনাস কার্লসেনের বিরুদ্ধে ম্যাচের সময় শেষ হয়ে হারতে হয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে। এবারও সেই সময়ই হয়ে দাঁড়াল আনন্দের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। ২০ বছরের উজবেক গ্র্যান্ডমাস্টার জাভোখির সিনদারভের বিরুদ্ধে জয়ের সুযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার দরুন হেরে যায় ভারতীয় দাবা কিংবদন্তি।
৮ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে গ্লোবাল চেস লিগের ম্যাচে পিবিজি আলাস্কান নাইটসের হয়ে খেলছিলেন আনন্দ। প্রতিপক্ষ ছিলেন এফওয়াইইআরএস আমেরিকান গ্যাম্বিটসের সিনদারভ। ম্যাচের শেষদিকে সিনদারভ ড্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু জয়ের আশায় সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন আনন্দ। তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে শেষপর্যায়ে, বাড়তি দুই সেকেন্ড যোগ করা হলে পরিস্থিতি দ্রুত কঠিন হয়ে ওঠে। শেষ পর্যায়ে সময়ের চাপ সামলাতে গিয়ে আনন্দ ভুল করেন। এরপর তাঁর সময় শেষ হয়ে যায় এবং সময়-ফরফিটে হারতে হয় তাঁকে। শেষ পর্যন্ত আনন্দের দল আলাস্কান নাইটস ৯-১২ ব্যবধানে হারে এফওয়াইইআরএস আমেরিকান গ্যাম্বিটসের কাছে।
তবে ড্র না নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আনন্দের দীর্ঘ কেরিয়ারের সেই লড়াকু মানসিকতারই পরিচয় দেয়। কিন্তু পরপর দু’দিন সময়ের কাছে হার মানতে হল তাঁকে। আগের দিন কার্লসেনের বিরুদ্ধেও ভালো অবস্থানে থেকেও সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল আনন্দের।
অন্যদিকে, সিনদারভের সামনে রয়েছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ। এই বছরই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ডি গুকেশের বিরুদ্ধে খেলার কথা রয়েছে তাঁর। আনন্দের বিরুদ্ধে জয়ের পরেও উজবেক তারকা ভারতীয় কিংবদন্তিকে বলেছেন ‘বিশ্বমানের’ খেলোয়াড়।
দাবার নতুন প্রজন্ম যে কতটা দ্রুত এগিয়ে আসছে, সিনদারভ তারই উদাহরণ। আর আনন্দ? কয়েক দশক ধরে ভারতীয় দাবাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সেই কিংবদন্তি এখনও লড়াই করে চলেছেন। তবে গ্লোবাল চেস লিগের দ্রুতগতির ফরম্যাটে ঘড়ির কাঁটা যে কিংবদন্তিদেরও রেয়াত করছে না, আনন্দের পরপর দু’টি হার তারই প্রমাণ।
