সাডেন ডেথে শেষবার ভারতীয় ফুটবল থেকে বিদায় জামশেদপুর এফসির, বিশালের কামব্যাকে সেমিতে মোহনবাগান
সাডেন ডেথ। রুদ্ধশ্বাস পেনাল্টি শুট আউট, ফলাফল ৯-৮। জিতে সেমিফাইনালে মোহনবাগান। নিজের নামে শেষবার মাঠে নামল জামশেদপুর এফসি। এরপর থেকে ক্লাবটি খেলবে চার্চিল ব্রাদার্সের মালিকানায়। ফলে আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন শেষবারের মতো দেখল ‘জামশেদপুর এফসি’ নামের একটি ক্লাবকে। তবে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে জামশেদপুরের হয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে প্রণয় হালদার, সৌরভ দাসরা লড়াই করলেন বিদেশিবিহীন দল নিয়েই।
সাডেন ডেথ। রুদ্ধশ্বাস পেনাল্টি শুট আউট, ফলাফল ৯-৮। জিতে সেমিফাইনালে মোহনবাগান। নিজের নামে শেষবার মাঠে নামল জামশেদপুর এফসি। এরপর থেকে ক্লাবটি খেলবে চার্চিল ব্রাদার্সের মালিকানায়। ফলে আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন শেষবারের মতো দেখল ‘জামশেদপুর এফসি’ নামের একটি ক্লাবকে। তবে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে জামশেদপুরের হয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে প্রণয় হালদার, সৌরভ দাসরা লড়াই করলেন বিদেশিবিহীন দল নিয়েই।
অন্যদিকে, আগের ম্যাচের দল থেকে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান। রসিথ মিতেইয়ের অনফোর্সড এরর থেকে বল পেয়ে যান ড্রজিক। তিনি বল বাড়িয়ে দেন সাহাল আবদুল সামাদকে। সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি সাহাল। তাঁর গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।
এরপর অবশ্য একাধিক সুযোগ তৈরি করেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি সবুজ-মেরুন। ড্রজিক দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ফলে খেলা ধীরে ধীরে মাঝমাঠকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে।
এক সময় পেনাল্টির আবেদনও জানায় মোহনবাগান। প্রভাত লকরার হাতে বল লাগলেও রেফারি সেই আবেদনে কর্ণপাত করেননি।
এরপর ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা শুরু করে জামশেদপুর। রসিথ মিতেইয়ের দূরপাল্লার শট কাইথের হাতে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল জালে পাঠাতে ভুল করেননি দেবেন্দ্র ধাকু। ফলে প্রথমার্ধের শেষে ম্যাচের ফল দাঁড়ায় ১-১।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পরিবর্তন করে মোহনবাগান। অপুইয়ার পরিবর্তে মাঠে নামেন সামির জেলজকোভিচ। এই ম্যাচেই প্রথমবার সবুজ-মেরুন জার্সিতে মাঠে নামেন তিনি। ড্রজিকের পরিবর্তে নামেন কিয়ান নাসিরি।
৫৮ মিনিটে গোলের সন্ধানে জেমি ম্যাকলারেনকে মাঠে নামায় মোহনবাগান। মনবীর সিংয়ের পরিবর্তে মাঠে আসেন তিনি। গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সবুজ-মেরুন।
দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকের পর ফের জোড়া পরিবর্তন করে মোহনবাগান। সাহাল আবদুল সামাদ এবং লিস্টন কোলাসোর পরিবর্তে মাঠে নামেন সায়ন ব্যানার্জি ও সুহেল ভাট।
ম্যাচের শেষপর্যন্ত জয় তুলে নিতে মরিয়া ছিল দুই দলই। একদিকে নিজেদের নামে শেষ ম্যাচে স্মরণীয় বিদায়ের লক্ষ্য ছিল জামশেদপুরের, অন্যদিকে জয়ের জন্য মরিয়া ছিল মোহনবাগান। যুবভারতীর মাঠে তাই শেষ পর্যন্ত জমে ওঠে দুই দলের লড়াই।
ফ্রিকিকের সময় বক্সে আলবার্তো রদ্রিগেজকে টেনে ফেলে দিলেন প্রতীক চৌধুরী, হতে পারতো পেনাল্টি। রেফারি ফিরেও দেখলেন না। মোহনবাগান বিক্ষিপ্ত আক্রমণ করে গেল। কাজের কাজ হচ্ছিল না। আলবিনো গোমস কয়েকবার রক্ষাকর্তা হলেন।
কোপার মত ম্যাচ গড়ালো টাই ব্রেকারে। ৯০ মিনিটের পর কোনো এক্সট্রা টাইম নেই, সরাসরি টাই ব্রেকার।
