এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে ইরাক, জর্ডন ও ওমানের ক্লাবের সঙ্গে এক গ্রুপে ইস্টবেঙ্গল
কুয়েতের আল আরাবিকে পর্যুদস্ত করে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইস্টবেঙ্গল। এবার আরও বড় পরীক্ষা। আরও কঠিন পরীক্ষা। মূলপর্বে লালহলুদকে খেলতে হবে জর্ডনের আল হুসেইন, ইরাকের আল সোর্তা ও ওমানের আল সিবের বিরুদ্ধে। একেবারেই সহজ গ্রুপ নয়।
কাগজে-কলমে এই গ্রুপকে মোটেই সহজ বলা যাবে না। বরং প্রতিটি ম্যাচেই হাবাসের দলের জন্য অপেক্ষা করছে আলাদা পরীক্ষা।
কুয়েতের আল আরাবিকে পর্যুদস্ত করে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইস্টবেঙ্গল। এবার আরও বড় পরীক্ষা। আরও কঠিন পরীক্ষা। মূলপর্বে লালহলুদকে খেলতে হবে জর্ডনের আল হুসেইন, ইরাকের আল সোর্তা ও ওমানের আল সিবের বিরুদ্ধে। একেবারেই সহজ গ্রুপ নয়।
আল হুসেইন জর্ডনের অন্যতম শক্তিশালী দল। গত বছর তারা টানা তৃতীয়বার জর্ডন প্রো লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সংগঠিত দলগত ফুটবলই এই দলের বড় শক্তি। দলটা দ্রুত ওঠা নামা করতে পারে। শারীরিক সক্ষমতা দারুণ। সাম্প্রতিক এএফসি প্রতিযোগিতায় ভাল পারফরম্যান্স করেছে তারা।
আল শোর্তা আবার ইরাকের অন্যতম শক্তিশালী দল। ইরাক স্টারস লিগে গতবছর দ্বিতীয় হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিটের লিগ পর্বেও খেলেছে। তাদের অভিজ্ঞতাও তাদের বড় শক্তি।
গ্রুপ পর্ব হয়ত ইস্টবেঙ্গলের অপেক্ষাকৃত সহজ ম্যাচ হতে পারে ওমানের আল সিবের বিরুদ্ধে, তবে তাদের হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। গত বছর অবশ্য এই দলটিকে হারিয়েছিল এফসি গোয়া। তবে ২০২২ সালে তারা এএফসি কাপ জিতেছিল। যদিও এই পর্যায়ে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইটা বেশ শক্ত তবে লড়াকু ইস্টবেঙ্গল এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে ছাপ রাখতে মরিয়া।
