ব্যালন ডি’অরের মুকুট হ্যারি কেনের, বিশ্বসেরার সাফল্যে বিশেষ বার্তা বিরাট কোহলির
বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানের মঞ্চে অবশেষে নিজের নাম লিখলেন হ্যারি কেন। লন্ডনে ২০২৬ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতে কেরিয়ারের অন্যতম সেরা স্বীকৃতি পেলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। তাঁর এই ঐতিহাসিক সাফল্যে শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট মহলে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে বিরাট কোহলির বিশেষ বার্তা।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানের মঞ্চে অবশেষে নিজের নাম লিখলেন হ্যারি কেন। লন্ডনে ২০২৬ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতে কেরিয়ারের অন্যতম সেরা স্বীকৃতি পেলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। তাঁর এই ঐতিহাসিক সাফল্যে শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট মহলে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে বিরাট কোহলির বিশেষ বার্তা।
বায়ার্ন মিউনিখের তারকা কেন পেছনে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালকে। প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিতে তিনি ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর প্রথম ইংরেজ ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার পেলেন। ২০২৫-২৬ মরসুমে ক্লাব ও দেশের হয়ে মোট ৭৩টি গোল করেন কেন। এর মধ্যে বায়ার্নের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা ৬১। তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বায়ার্ন জেতে বুন্দেসলিগা, ডিএফবি-পোকাল এবং ফ্রাঞ্জ বেকেনবাউয়ার সুপারকাপ।
জাতীয় দলের হয়েও কেনের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ছয়টি গোল করেন তিনি। তাঁর দল বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। পাশাপাশি ইউরোপীয় গোল্ডেন শু এবং বর্ষসেরা পুরুষ স্ট্রাইকারের পুরস্কারও পান কেন।
তবে কেনের ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ভারতীয় সমর্থকদের নজর কেড়েছে বিরাট কোহলির আবেগঘন শুভেচ্ছাবার্তা। ইংল্যান্ড অধিনায়ককে শুধু এক ক্রীড়া তারকা হিসেবে নয়, বরং ‘বন্ধু’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।
কোহলি লিখেছেন, “হ্যারি, আমার বন্ধু, এত বছর ধরে ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তোমার লড়াই, কঠোর পরিশ্রম এবং সততার জন্য এই পুরস্কারের প্রতিটি অংশই তোমার প্রাপ্য। তোমার জন্য সত্যিই খুব খুশি। তোমার এবং তোমার পরিবারের জন্য অনেক শুভকামনা। তোমার এই যাত্রা নিয়ে তুমি যেমন গর্বিত, তোমার পরিবারও নিশ্চয়ই তোমাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। সবসময় আমার শুভেচ্ছা থাকবে। অভিনন্দন।”
কোহলির বার্তায় শুধু কেনের গোল বা সাফল্যের পরিসংখ্যান উঠে আসেনি। বরং ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে কেনের লড়াই, অধ্যবসায়, পরিশ্রম এবং ব্যক্তিত্বের প্রশংসাই করেছেন ভারতীয় তারকা।
কেরিয়ারের শুরুতে একাধিক ক্লাবে ধারে খেলতে হয়েছিল কেনকে। সেই কঠিন পথ পেরিয়ে ধীরে ধীরে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা হয়ে ওঠেন তিনি। আর ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর সেই দীর্ঘ যাত্রারই সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি।








