দুই ম্যাচে ৯৯ রান খরচ, মাত্র ১ উইকেট! ভুবনেশ্বরকে তাড়াহুড়ো না করার বার্তা দিলো মর্কেল!
চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ ভুবনেশ্বর পেয়েছেন শুধুমাত্র অতীতের সাফল্যের ভিত্তিতে নয়। গত দুই আইপিএল মরশুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪৫টি উইকেট নিয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। দলকে পরপর দু’বার শিরোপা জেতাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন এই অভিজ্ঞ পেসার। অর্থাৎ, তাঁর বোলিংয়ের ধার যে একেবারে হারিয়ে গিয়েছে, এমনটা বলার কোনও কারণ নেই।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চার বছর অনেকটা দীর্ঘ সময়। চার বছর পর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের জার্সিতে মাঠে ফিরেছিলেন ৩৬ বছর বয়সি ভুবনেশ্বর কুমার। তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচের পারফরম্যান্স সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
দুই ম্যাচে ৯৯ রান খরচ করে মাত্র একটি উইকেট। ওভারপ্রতি ১২.৩৭ রান দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও নিজের সেরাটা দেওয়ার মতো জায়গায় রয়েছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে ভারতীয় দলের বোলিং কোচ মরনে মরকেল এখনই ভুবনেশ্বরকে নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ। তাঁর নজর রয়েছে বোলারের দক্ষতার পাশাপাশি মানসিক অবস্থার দিকেও।
চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ ভুবনেশ্বর পেয়েছেন শুধুমাত্র অতীতের সাফল্যের ভিত্তিতে নয়। গত দুই আইপিএল মরশুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪৫টি উইকেট নিয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। দলকে পরপর দু’বার শিরোপা জেতাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন এই অভিজ্ঞ পেসার। অর্থাৎ, তাঁর বোলিংয়ের ধার যে একেবারে হারিয়ে গিয়েছে, এমনটা বলার কোনও কারণ নেই।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ বিরতির পর ফিরে এসে প্রত্যাশার চাপ সামলানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তৃতীয় টি-টোয়েন্টির আগে মরকেল বুঝিয়ে দিয়েছেন, মাত্র এক মাসের প্রস্তুতি নিয়ে চার বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে নিজেকে প্রমাণ করার তাড়না ভুবনেশ্বরের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
নিজেকে প্রমাণ করার অতিরিক্ত চেষ্টা অনেক সময় বোলারকে স্বাভাবিক ছন্দ থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ভুবনেশ্বরের বোলিংয়ের খুঁটিনাটি বদলানোর পরিবর্তে তাঁকে নিজের স্বাভাবিক খেলায় ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন পেসার। মরকেলের বার্তা, “কোনও কিছুর পিছনে ছুটতে যেও না, নিজের মতো থাকো।”
আধুনিক ক্রিকেটে যেখানে প্রতিটি ম্যাচের পরেই ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া হয়, সেখানে মরকেলের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। ভুবনেশ্বরকে নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করতে হবে না। বরং প্রত্যাবর্তনের চাপ সরিয়ে রেখে নিজের শক্তির উপর ভরসা করতে হবে তাঁকে।
প্রতিটি বলে নিখুঁত কিছু করে দেখানোর চেষ্টা না করে নিজের অভিজ্ঞতা, নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষতার উপর আস্থা রাখাই হতে পারে ভুবনেশ্বরের ছন্দে ফেরার চাবিকাঠি। এখন দেখার, মরকেলের পরামর্শ মেনে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিজের পুরনো ছন্দ ফিরে পান কি না ভারতের এই অভিজ্ঞ পেসার।








