এমবাপের জোড়া গোল, দুরন্ত ওলিজে, সুইডেনকে তিন গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স
খেলার ফল ৩-০। হতেই পারত ৫-০। সুইডেনকে এদিন দাঁড়াতেই দেয়নি ফ্রান্স। এমনকী এটাও বোঝা গেল, এই দল, এই ফুটবল খেললে পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও অনেককেই দাঁড়াতে দেবে না।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক: খেলার ফল ৩-০। হতেই পারত ৫-০। সুইডেনকে এদিন দাঁড়াতেই দেয়নি ফ্রান্স। এমনকী এটাও বোঝা গেল, এই দল, এই ফুটবল খেললে পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও অনেককেই দাঁড়াতে দেবে না। মসৃন ফুটবল। খেলাটা কত সহজ, গোল করাটা কত সহজ, সেটাই যেন দেখিয়ে গেল ফ্রান্স।
জোড়া গোল করলেন কিলিয়ান এমবাপে। এবার এখনও পর্যন্ত ৬ টি গোল করে মেসির সঙ্গে যুগ্মভাবে রয়েছেন সবার আগে। এমবাপে হলেন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এককভাবে সর্বোচ্চ গোল করার মালিক। নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে ১০-এ নিয়ে যান, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
এর আগে এই রেকর্ড যৌথভাবে ধরে রেখেছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি লেওনিদাস দা সিলভা এবং রোনালদো নাজারিও। তাদের দুজনেরই নকআউট পর্বে গোল ছিল আটটি। এমবাপে সেই মাইলফলক ছাড়িয়ে এখন ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছেন।
তবে এদিন যেন আপফ্রন্টের রিমোটটা নিজের হাতে নিয়ে নেমেছিলেন ওলিজে। নাম্বার টেনের যথার্থ প্রয়োগ করলেন। এখনও পর্যন্ত ৫টি অ্যাসিস্ট করে নজির গড়েছেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের পর আর কেউ এত অ্যাসিস্ট করতে পারেননি।
এমবাপের প্রথম গোলটি প্রথমার্ধের শেষ সময়ে। ব্যক্তিগত দক্ষতার ফসল। বাঁদিক থেকে বল ধরে একাধিক ফুটবলারকে টপকে গোলটি করেন।দ্বিতীয় গোলটি বারকোলাকে সাজিয়ে দিয়েছিলেন ওলিজে। এবং তৃতীয় গোলটি করেন এমবাপে।
এমবাপে গোল করার পর সেটেক উৎসর্গ করেন কোচ দিদিয়ের দেশঁকে। গোল করেই ছুটে যান দেশঁর দিকে। সতীর্থরাও ছুটে আসেন। কোচকে ঘিরে উচ্ছ্বাস। সম্প্রতি মাকে হারিয়েছেন দেশঁ। দেশেও ফিরে যেতে হয়েছিল। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাল গোটা দল।
এই ফ্রান্সের কাছে সুইডেনও দুরমুশ হওয়ার পর গবেষণা চলছে তাদের থামাতে পারে কোন দল। কী সব ফুটবলার দলে! কোনও সন্দেহ নেই, হট ফেবারিটের মতই দৌড়োচ্ছে দেশঁর ফ্রান্স।








