উজ্জীবিত মিশরের কাছে পয়েন্ট খোয়ালো বেলজিয়াম
উজ্জীবিত মিশরের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট উদ্ধার শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করল বেলজিয়াম। পরিবর্ত হিসাবে নেমে ভালোরকম প্রভাব ফেললেন রোমেলু লুকাকু, যার চাপে পড়েই মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।

বলাই যায় উজ্জীবিত মিশরের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট উদ্ধার শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করল বেলজিয়াম। পরিবর্ত হিসাবে নেমে ভালোরকম প্রভাব ফেললেন রোমেলু লুকাকু, যার চাপে পড়েই মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
মো সালাহ ও কেভিন ডি ব্রুয়েনের দ্বৈরথ অমীমাংসিতই রয়ে গেল। যদিও নিজের ৩৪তম জন্মদিনে দেশকে একটি পয়েন্ট এনে দিলেন সালাহ। এই নিয়ে চারবার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে মিশর। এখনও পর্যন্ত তারা একটিও ম্যাচ জিততে পারেনি। সোমবার জয়ের খুব কাছে পৌঁছেও শেষ রক্ষা হ৭ল না।
ম্যাচের শুরুতে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেয় মিশর। তাদের আক্রমণভাগ বারবার বেলজিয়ামের রক্ষণকে চাপে ফেলে। এই সময়ই ইমাম আশুর অসাধারণ গোলে এগিয়েও যায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। দ্বিতীয়ার্ধে লুকাকুকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। মাঠে নেমেই তিনি মিশরের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন এবং সেই চাপের ফলেই আসে আত্মঘাতী গোল।
ম্যাচের শেষদিকে লুকাকুর সামনে জয়সূচক গোল করার সুবর্ণ সুযোগও এসেছিল। বদলি খেলোয়াড় রাসকিন ডান প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত একটি ক্রস বাড়ান। লুকাকু ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে হেড নিলেও বলটি বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
আরেকটি সুযোগ তৈরি হয় বেলজিয়ামের একটি ফ্রি-কিক থেকে। বলটি আবার বক্সে ফিরিয়ে দিলে মেখেলে হেড করে গোলমুখে পাঠান। কিন্তু মিশরের গোলরক্ষক শৌবির অসাধারণ দক্ষতায় বাঁ হাতে বলটি ঠেকিয়ে দেন।বেলজিয়াম অবশ্য খুশি হতেই পারে কারণ বেশিরভাগ সময় তারা সেরা ছন্দে না থেকেও অন্তত এক পয়েন্ট তো এল!








