সাত গোল দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল নিখুঁত জার্মানি
গত দুটি বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল। কিন্তু এবার যে কেন জার্মানি টানা ৯ ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে এসেছে, সেটা প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিল। প্রতিপক্ষ হতে পারে বিশ্ব ফুটবলের লিলিপুট কারাসাও, কিন্তু তাতে ৭-১ গোলে জয়টাকে কোনওভাবেই খাটো করা যাবে না।

গত দুটি বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল। কিন্তু এবার যে কেন জার্মানি টানা ৯ ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে এসেছে, সেটা প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিল। প্রতিপক্ষ হতে পারে বিশ্ব ফুটবলের লিলিপুট কারাসাও, কিন্তু তাতে ৭-১ গোলে জয়টাকে কোনওভাবেই খাটো করা যাবে না।
জার্মান ফুটবলের দুটি বৈশিষ্ট্য আছে। যে কাজটা তারা করতে চায়, তার নব্বই ভাগই নিখুঁত হয়। এবং লম্বা লম্বা স্টেপিংয়ে অনেক দ্রুত তারা জায়গা কভার করে ফেলে। টিপিক্যাল এই জার্মান ঘরানাই তুলে ধরলেন কিমিচরা। পেনিট্রেটিভ জোনে ফাঁকা জায়গা তৈরি করা ও পাসিংয়ের তীক্ষ্ণতায় এতটাই মুন্সিয়ানা দেখালেন জার্মান ফুটবলাররা, যে সহজেই সাত গোল হয়ে গেল।
বক্সের মধ্যে যেভাবে ওয়ান টাচ খেলে নিয়ে নিখুঁত শট গোলে রাখলেন মেচা, যেভাবে ঘাড়ের ওপর ডিফেন্ডারকে নিয়েও নিখুঁত প্লেসিংয়ে গোল করে গেলেন মুসিয়ালা, বা বক্সের মধ্যে যেভাবে অবলীলায় দ্রুত তিন চারটি পাস খেলে নিয়ে ডান পায়ের ভলিতে পঞ্চম গোলটি করে গেলেন ব্রাউন, যে দেখে মনে হচ্ছিল তেল দেওয়া মেশিনের মতই মসৃনভাবেই যেন সব কিছু হয়ে যাচ্ছে।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি বয়সের কোচ ৭৮-এর ডিক অ্যাডভোকেট ও সর্বকনিষ্ঠ কোচ নাগলসম্যানের লড়াই ছিল। কি্ন্তু এই জার্মানির সামনে কিছুই করার ছিল না বিদগ্ধ ডাচ কোচ অ্যাডভোকেটের।
এমনিতে বিশ্বকাপের ক্ষুদ্রতম দেশ কারাসাওয়ের আয়তম মাত্র ১৭১ বর্গমাইল। জনসংখ্যা মাত্র দেড় লক্ষ। অধিকাংশ ফুটবলারই ডাচ বংশোদ্ভুত। কিন্তু সাত গোল খেলেও ওপেন ফুটবল খেলে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। তার ফলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে দেশের প্রথম স্কোরার হিসাবে নাম তুলে ফেললেন কোমেনেনসিয়া।
জার্মানির হয়ে দুটি গোল করলেন হাভার্ৎজ। একটি করে গোল করলেন মেচা, স্লটারবেক, মুসিয়ালা, ব্রাউন ও উন্ডাভ।








