ব্যর্থতার দায়ে বিদায় মিছিল, চাকরি গেল বিশ্বকাপের সাত কোচের
বিশ্বকাপে যাদের ব্যর্থতা নেমে আসছে, তাদের ভাগ্যেরও বদল হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জেরে এরমধ্যেই সাত জন কোচের চাকরি গেছে। কেউ পদত্যাগ করেছেন আবার কেউ বা বরখাস্ত হয়েছেন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
সাফল্য ও ব্যর্থতা হাত ধরাধরি করেই হাঁটে। বিশ্বকাপে যাদের ব্যর্থতা নেমে আসছে, তাদের ভাগ্যেরও বদল হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জেরে এরমধ্যেই সাত জন কোচের চাকরি গেছে। কেউ পদত্যাগ করেছেন আবার কেউ বা বরখাস্ত হয়েছেন।
প্রথম কোচ বদল হয় তিউনিশিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে হেরেছিল তিউনিশিয়া। তারপরই তাদের কোচ সাবরি লামুসিকে বরখাস্ত করা হয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় এরডে রেনার্ডকে। তবে তাতে অবশ্য ব্যর্থতা ঘোচেনি। গ্রুপ পর্বের বাকি দুটি ম্যাচও হেরে বিদায় নেয় তিউনিশিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়া ও স্কটল্যান্ডের ভাগ্যেও নেম্ এসেছে ব্যর্থতা। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পরই দায়িত্ব ছেড়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ হং মিউং বো। একইভাবে সাত বছর দায়িত্ব থাকার পর পদত্যাগ করেন স্কটল্যান্ডের কোচ স্টিভ ক্লার্ক।
একইভাবে, একই কারণে পদত্যাগ করেন চেক প্রজাতন্ত্রের কোচ মিরোস্লাভ কৌবেক ও ইকুয়েডরের কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাসেসে। তাঁর সঙ্গে অবশ্য বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চুক্তি শেষ হয়েছে।
গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে হেভিওয়েট উরুগুয়ে। আর তার ফলে তাঁদের কিংবদন্তি কোচ মার্সেলো বিয়েলসাও দায়িত্ব ছেড়েছেন। ব্যর্থতার সব দায় তিনি নিজের কাঁধেই নিয়েছেন। নেদারল্যান্ডসের কোচ রোনাল্ড কোম্যানও জানিয়ে দিয়েছেন চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই তিনি আর দায়িত্বে ফিরবেন না।
আপাতত বিশ্বকাপ চলছে। একে একে দলগুলি বিদায় নেবে। তাই যতদিন যাবে, এই তালিকাটা হয়ত দীর্ঘ হবে। এখন দেখার এরপর কে। ব্যর্থতার দায় তো নিতেই হবে। বিশ্বকাপের মত মঞ্চে ব্যর্থ হলে এটাই হয়ত এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে।
