সচিনই সেরার সেরা, কোহলির আগে বুমরা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ‘অল-টাইম’ ব্র্যাকেটের কঠিন সিদ্ধান্ত
ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার কে—এই প্রশ্নের উত্তর কখনওই সহজ হতে পারে না। আর সেই কারণেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনের তৈরি ‘অল-টাইম গ্রেট’ ব্র্যাকেটও হয়ে উঠেছিল বেশ আকর্ষণীয়। বিরাট কোহলি, জসপ্রীত বুমরাহ থেকে শুরু করে মহেন্দ্র সিং ধোনি, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, কপিল দেব এবং সচিন তেন্ডুলকর—প্রতিটি রাউন্ডেই তাঁকে এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে বেছে নিতে হয়েছে, যাঁরা ভারতীয় ক্রিকেটের ভিন্ন ভিন্ন যুগকে নিজেদের মতো করে সমৃদ্ধ করেছেন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার কে—এই প্রশ্নের উত্তর কখনওই সহজ হতে পারে না। আর সেই কারণেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনের তৈরি ‘অল-টাইম গ্রেট’ ব্র্যাকেটও হয়ে উঠেছিল বেশ আকর্ষণীয়। বিরাট কোহলি, জসপ্রীত বুমরাহ থেকে শুরু করে মহেন্দ্র সিং ধোনি, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, কপিল দেব এবং সচিন তেন্ডুলকর—প্রতিটি রাউন্ডেই তাঁকে এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে বেছে নিতে হয়েছে, যাঁরা ভারতীয় ক্রিকেটের ভিন্ন ভিন্ন যুগকে নিজেদের মতো করে সমৃদ্ধ করেছেন।
সবচেয়ে বড় চমক ছিল বিরাট কোহলির বিরুদ্ধে জসপ্রীত বুমরাহকে বেছে নেওয়া। টেস্ট ক্রিকেটে কোহলির অসাধারণ সাফল্য এবং তাঁর বিশাল মর্যাদা স্বীকার করেও শেষ পর্যন্ত বুমরাহকেই এগিয়ে রাখেন অশ্বিন। সম্ভবত এর পিছনে একজন বোলারের অন্য এক বোলারের প্রতি স্বাভাবিক শ্রদ্ধাও কাজ করেছে।
আরও একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজার মধ্যে। জাদেজার অলরাউন্ড দক্ষতা তাঁকে ভাবালেও শেষ পর্যন্ত ধোনিকেই বেছে নেন অশ্বিন। অধিনায়ক হিসেবে ধোনির সাফল্য এবং তিন ফরম্যাটে তাঁর কৃতিত্বই ছিল এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। কিন্তু পরের রাউন্ডেই ধোনির যাত্রা থেমে যায়। সেখানে প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের বিরুদ্ধে বীরেন্দ্র সেহওয়াগকে বেছে নেন অশ্বিন।
কিছু সিদ্ধান্ত যে তাঁকেও অস্বস্তিতে ফেলেছিল, সেটাও জানিয়েছেন অশ্বিন। সুনীল গাভাসকরকে হারিয়ে যখন সেহওয়াগ পরের রাউন্ডে পৌঁছন, তখন অশ্বিন নিজেই সেই সিদ্ধান্তকে কিংবদন্তি ওপেনারের প্রতি “অন্যায়” বলে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সচিন তেন্ডুলকর এবং রাহুল দ্রাবিড়ের বিরুদ্ধে কপিল দেবকে বেছে নেন অশ্বিন। ফলে তৈরি হয় এক দুর্দান্ত ফাইনাল—একদিকে ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক কপিল দেব, অন্যদিকে এমন এক ক্রিকেটার যাঁর দীর্ঘ কেরিয়ার এবং অসাধারণ পারফরম্যান্স একাধিক প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে—সচিন তেন্ডুলকর।
তবে ফাইনালের সিদ্ধান্ত নিতে অশ্বিনের খুব বেশি সময় লাগেনি। নিজের ব্যক্তিগত পছন্দকেও গুরুত্ব দিয়ে তিনি বেছে নেন সচিনকে।
অশ্বিন বলেন, “কোনও একটা পর্যায়ে ব্যক্তিগত পক্ষপাতকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আমি সচিন তেন্ডুলকরকেই বেছে নেব।”
শেষ পর্যন্ত তাই অশ্বিনের ‘অল-টাইম গ্রেট’ ব্র্যাকেটে সবার উপরে জায়গা করে নেন সচিন তেন্ডুলকর। কঠিন সব সিদ্ধান্ত, একাধিক চমক এবং ক্রিকেটের ভিন্ন যুগের কিংবদন্তিদের নিয়ে তৈরি এই যাত্রার শেষটাও তাই হল এক কিংবদন্তির নামেই।








