কলকাতায় ভারতের বিরুদ্ধে গোলাপি মোজা পরে খেলবে উরুগুয়ে; ফুটবলকে ব্যবহার করা হবে স্তন ক্যানসার সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে
উরুগুয়ের সিনিয়র জাতীয় দলের ইতিহাসে এই প্রথম ফুটবলাররা গোলাপি মোজা পরে মাঠে নামবেন। সেই মোজায় থাকবে স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে সচেতনতার প্রতীক রিবন। উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (AUF), উরুগুয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ক্যানসার বিরোধী কমিশনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া “ONCE” প্রচারের অংশ হিসেবেই এই বিশেষ উদ্যোগ।
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক: ৬ অক্টোবর কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে প্রীতি ম্যাচ শুধু ফুটবলের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকছে না। এই ম্যাচকে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা ছড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেও ব্যবহার করতে চলেছে উরুগুয়ে। মাঠে নামার সময় উরুগুয়ের ফুটবলারদের পায়ে দেখা যাবে গোলাপি রঙের মোজা। স্তন ক্যানসারে আক্রান্তদের প্রতি সংহতি জানানো এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং ও দ্রুত রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
উরুগুয়ের সিনিয়র জাতীয় দলের ইতিহাসে এই প্রথম ফুটবলাররা গোলাপি মোজা পরে মাঠে নামবেন। সেই মোজায় থাকবে স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে সচেতনতার প্রতীক রিবন। উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (AUF), উরুগুয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ক্যানসার বিরোধী কমিশনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া “ONCE” প্রচারের অংশ হিসেবেই এই বিশেষ উদ্যোগ।
ফুটবলের বিপুল জনপ্রিয়তা এবং মানুষের কাছে পৌঁছনোর ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে স্তন ক্যানসারের স্ক্রিনিং, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং সচেতনতা বাড়ানোর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই প্রচারের লক্ষ্য।
এই উদ্যোগে “১১” সংখ্যাটিরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। একটি ফুটবল দলে মাঠে থাকেন ১১ জন খেলোয়াড়। একইসঙ্গে প্রচারে তুলে ধরা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান—উরুগুয়ের প্রতি ১১ জন মহিলার মধ্যে একজনের জীবদ্দশায় স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গোলাপি মোজার মাধ্যমে সেই বার্তা শুধু যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। উরুগুয়ে-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ম্যাচটি যাঁরা দেখবেন, তাঁদের কাছেও পৌঁছে যাবে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতার এই বার্তা।
আন্তর্জাতিক স্তরে স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাসে এই প্রচার বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্ক্রিনিং এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তার উপরই বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। AUF-এর বক্তব্য, ফুটবল মানুষকে একত্রিত করার পাশাপাশি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার শক্তিও রাখে।
তাই উরুগুয়ের ফুটবলারদের পায়ে দেখা যাওয়া গোলাপি মোজা শুধু দলের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সাময়িক পরিবর্তন নয়। এটি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত মানুষদের প্রতি সংহতির প্রতীক এবং একইসঙ্গে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতার গুরুত্বের একটি দৃশ্যমান বার্তা।
কলকাতায় ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে লা সেলেস্তে। ফলে ম্যাচটির গুরুত্ব শুধু জয়-পরাজয়ের হিসাবেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। ফুটবলের অন্যতম বড় মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে সচেতনতা, নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগও পাচ্ছে উরুগুয়ে।








