জমকালো সবুজ মেরুনে পালিত হল মোহনবাগান দিবস
ক্লাবে পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের শুরু। প্রচণ্ড বৃষ্টি। একটু কমতেই চলে এলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খান। তারপরই তাঁকে নিয়ে সচিব সভাপতিরা করলেন পতাকা উত্তোলন।
২৯ অগাস্ট, মোহনবাগান দিবস। আবেগে, আন্তরিকতায় সবুজ মেরুনে পালিত হল তাদের গর্বের এই দিন। ১৯১১-র এই দিনে মোহনবাগানের ঐতিহাসিক শিল্ডজয়। দোর্দন্ডপ্রতাপ ব্রিটিশ ফৌজি দল ইস্ট ইয়র্কশায়ারকে ২-১ গোলে হারিয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছিলেন খালিপায়ের মোহনবাগান ফুটবলাররা। সেই অমর ইতিহাসকে প্রতি বছরের মত এবারও আবেগে, শ্রদ্ধায় স্মরণ করল সবুজ মেরুন।
ক্লাবে পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের শুরু। প্রচণ্ড বৃষ্টি। একটু কমতেই চলে এলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খান। তারপরই তাঁকে নিয়ে সচিব সভাপতিরা করলেন পতাকা উত্তোলন।
এরপরই সবাই চলে গেলেন অমর একাদশের মূর্তির সামনে। সেখানে অমর একাদশকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মাল্যদান। ততক্ষণে মাঠে প্রাক্তনদের প্রীতি ম্যাচের সব প্রস্তুতি সারা। মাঠে গিয়ে প্রাক্তনদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব ক্রীড়ামন্ত্রীর। করমর্দনের পর বলে শট মেরে গোলও করলেন ক্রীড়ামন্ত্রী।
মাঠ ছাড়ার আগে ক্রীড়ামন্ত্রী জানিয়ে গেলেন, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ওই লড়াই ইতিহাস হয়ে আছে। তারপরও অধিকাংশ সময় তারাই সেরার শিরোপা পেয়েছে। এমন এক পরিবেশ তৌরি করার জন্য সমর্থক ও সকলকেই ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, মেহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল অন্যান্য ক্লবগুলি যেভাবে ফুটবলকে জনপ্রিয় করে তুলেছে, তার তুলনা নেই।
বুধবারের মূল আকর্ষণ ছিল প্রাক্তনদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শিবদাস ভাদুরি একাদশ ও বিজয়দাস ভাদুরি একাদশের মধ্যে ম্যাচটি শেষ হল ২-২ গোলে।
মূল অনুষ্ঠান হবে একদিন পর বৃহস্পতিবার। অঞ্জন মিত্রকে দেওয়া হবে মরোণোত্তর মোহনবাগানরত্ন। এছাড়াও নানা পুরষ্কারের মধ্যে দিয়ে সেরাদের সম্মান জানাবে মোহনবাগান।
