১০০ ছক্কার মাইলফলক! স্মৃতি-শেফালির ব্যাটে নতুন ইতিহাস
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাত্র ১৯ বলে ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন মান্ধানা। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। একইসঙ্গে ৪,৭৮৮ রান নিয়ে মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবেও নিজের জায়গা আরও শক্ত করেন তিনি।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: জাপানের নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে আজ স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালী ভার্মার জুটি রচনা করল নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর মহিলা ক্রিকেটের সেমিফাইনালে ভারতীয় দলের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা গড়ে ফেললেন অনন্য নজির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এলিট লিস্টে জায়গা করে নিয়ে একই ফরম্যাটে ১০০টি করে ছক্কা হাঁকানোর কৃতিত্ব অর্জন করলেন তাঁরা।
পাওয়ারপ্লে থেকেই শুরু হয় এই রেকর্ড গড়ার দৌড়। বাংলাদেশের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে মিড-উইকেটের উপর দিয়ে দুর্দান্ত ক্লাসিক্যাল সুইপে ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের ১০০তম আন্তর্জাতিক টি-২০ ছক্কা পূর্ণ করেন ভারতীয় দলের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মন্ধানা। এর ফলে মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি ছক্কা হাঁকানো প্রথম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান তিনি।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাত্র ১৯ বলে ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন মান্ধানা। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। একইসঙ্গে ৪,৭৮৮ রান নিয়ে মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবেও নিজের জায়গা আরও শক্ত করেন তিনি।
তবে মান্ধানার পর দ্রুতই ছক্কার রেকর্ডের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নেন তাঁর ২২ বছর বয়সি ওপেনিং পার্টনার শেফালি ভার্মা। শুধু ১০০ ছক্কার গণ্ডি পার করাই নয়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুরন্ত শতরান করে ভারতীয় ক্রিকেটের রেকর্ডবুকেও নতুন অধ্যায় লিখলেন শেফালি। মাত্র ৪৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেন তিনি।
এই বিধ্বংসী ইনিংসের সুবাদে মন্ধানাকে পিছনে ফেলে মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের সর্বোচ্চ ছক্কা-হিটার হয়ে উঠেছেন শেফালি। ১১৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তাঁর ছক্কার সংখ্যা এখন ১০৪টি।
২০২৬ সালেও আরও একটি নজির গড়েছেন শেফালি। চলতি ক্যালেন্ডার বছরে মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও পর্যন্ত ৩৫টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। এর ফলে এক ক্যালেন্ডার বছরে কোনও মহিলা ব্যাটারের সবচেয়ে বেশি ছক্কার আগের রেকর্ড, যা ছিল শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তুর দখলে, তা ভেঙে দিয়েছেন শেফালি।
