এএফসি: হাবাস মেনে নিলেন, তাঁরা তৈরি নন, স্টিমাচের কাছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের সম্পর্কে তথ্য নিয়ে এসেছে আল আরবি
বুধবার যুবভারতীতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র যোগ্যতা অর্জন পর্বে ধুন্ধুমার যুদ্ধ। কুয়েতের আল আরবির বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল। দু দলের মধ্যে কাগজে কলমে অনেকটাই তফাৎ হয়ে গেছে। কুয়েতের দল এমনিতেই অনেক বেশি শক্তিশালী, তার ওপর তারা খেলবে ৬ বিদেশিকে নিয়ে। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল পাবে মাত্র দুই বিদেশিকে।

ছবি সৌজন্য ফেসবুক
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
বুধবার যুবভারতীতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র যোগ্যতা অর্জন পর্বে ধুন্ধুমার যুদ্ধ। কুয়েতের আল আরবির বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল। দু দলের মধ্যে কাগজে কলমে অনেকটাই তফাৎ হয়ে গেছে। কুয়েতের দল এমনিতেই অনেক বেশি শক্তিশালী, তার ওপর তারা খেলবে ৬ বিদেশিকে নিয়ে। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল পাবে মাত্র দুই বিদেশিকে।
লালহলুদের নাচো কবে নামবেন কেউ জানে না। তাঁকে তো ছেড়ে দেওয়ার ভাবনাও রয়েছে। নাইজেরীয় এফিয়ং এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি। অস্ট্রেলীয় ইকোনোমিডিস পুরো সময় খেলার জায়গায় আসেননি। ফলে হাবাসের হাতে পুরো ফিট বিদেশি বলতে রশিদ আর ড্যানি র্যামিরেজ (Ramirez)। ইকোনোমিডিস হয়ত পরের দিকে নামবেন।
বিশেষ করে রক্ষণে কোনও বিদেশি না থাকাটাই সবচেয়ে বেশি ভোগাতে পারে ইস্টবেঙ্গলকে। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে আনোয়ারের পাশে সন্দীপ মান্ডির ওপরই ভরসা করতে হবে, কারণ নুঙ্গাকেও পাওয়া যাবে না। কারণ গত বছর এএফসি ম্যাচে তিনি লাল কার্ড দেখেছিলেন।
আর সে কারণেই হাবাস মেনে নিচ্ছেন তাঁরা পুরোপুরি তৈরি নন। তবে তাতে অবশ্য আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি নেই। ইস্টবেঙ্গল কোচ জানিয়ে দিলেন তাঁরা জেতার জন্যই খেলবেন।
অন্যদিকে আল আরবি কোচ গোরান সাবলিচ ইস্টবেঙ্গলকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর মতে, ইস্টবেঙ্গলের কারও কারও চোট থাকতে পারে কিন্তু তাদের স্কোয়াড খুব ভাল বলে মনে করেন তিনি। ইস্টেবঙ্গলের ঘরের মাঠের সুবিধাকেও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন, তাঁরা পরিবেশ নিয়ে ভাবছেন না, তাঁদের ফোকাসে শুধুই ফুটবল।
সাবলিচ এটাও জানিয়ে দিলেন, তাঁরা বেশ কিছুদিন ধরে তুরস্কে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। সেখানে অনেক বেশি শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে এসেছেন। আর এই ম্যাচের জন্য গত এক সপ্তাহ ধরে বিশেষ প্তস্তুতি নিয়েছেন। জানিয়ে দিলেন পরের পর্বে যেতে তাঁরা মরিয়া।
কোনও একজন ফুটবলারকে নয়, গোটা ইস্টবেঙ্গল দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। জানালেন, তাঁদের কাজ মোটেই সহজ হবে না। কঠিন ম্যাচ হবে।
কথায় কথায় এও জানালেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচ তাঁর ভাল বন্ধু। কয়েক দিন আগে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের সম্পর্কে তাঁর কাছে একটা ধারণা নি্য়েছেন। যুবভারতীতে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থন বা বর্ষার মাঠ – কোনও কিছু নিয়েই ভাবছেন না সাবলিচ। তাঁর ৬ বিদেশি যেমন প্রধান ভরসা, তেমনি ওই বিদেশিরাই ইস্টবেঙ্গলের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বলা ভাল আনোয়ার মান্ডির কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ।
