ভুরি ভুরি সুযোগ নষ্ট করে ইনজুরি টাইমের গোলে হার মোহনবাগানের
মাত্র কয়েক দিন আগে যে দলটা ইস্টবেঙ্গলের কাছে সাত গোল খেয়েছিল, সেই দলটাই আইএসএলে তাদের প্রথম ম্যাচে হারিয়ে দিল হেভিওয়েট মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে। তবে সেদিনের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এদিন ছিল না, এদিন অতীত ভুলে ঝাঁপিয়ে পড়ে তু্ল্যমূল্য লড়াই করে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় তুলে নিল।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
মাত্র কয়েক দিন আগে যে দলটা ইস্টবেঙ্গলের কাছে সাত গোল খেয়েছিল, সেই দলটাই আইএসএলে তাদের প্রথম ম্যাচে হারিয়ে দিল হেভিওয়েট মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে। তবে সেদিনের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এদিন ছিল না, এদিন অতীত ভুলে ঝাঁপিয়ে পড়ে তু্ল্যমূল্য লড়াই করে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় তুলে নিল।
প্রশ্ন হল কেন এমংন হল। আসলে ফুটবল গোলের খেলা। সেটাই যদি না করতে পারা যায, তাহলে এমনই হয়। অথচ খুব ভাল না খেললেও একাধিক গোলে জেতার কথা মোহনবাগানের।
শুরুতেই এরউইনের দুরন্ত ভলি ক্রসবারে আছড়ে পড়ল। ৪৩ মিনিটে শট নিতে দেরি করে ফেলায় সুযোগ নষ্ট সেই এরউইনের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৬ গজের মধ্যে থেকে টোকাটা বাইরে পাঠালেন সেই তিনিই। আসলে ডার্বিতে যেভাবে নজরে পড়েছিলেন, এদিন তার ধারে কাছে ছিলেন না।
অ্যালবার্তো রডরিগেজ ৩৫ গজের একটা আচমকা শট নিয়েছিলেন। আর একটু ডিপ করলেই দুর্দান্ত গোল হত। অভি মিতাই একবার কাট করে ঢুকেও ঠিকমত শট নিতে পারলেন না। যদি দ্বিতীয় পোস্টে রাখতে পারতেন তিনিও গোল পেতে পারতেন। মিগুয়েল মাঠে নেমেই কঠিন কোন থেকে জোরালো গড়ানে শট নিলেন সরাসরি গুরমিতের হাতে। শেষ মুহূর্তে লিস্টনের ক্রস থেকে সহজ মিস করলেন সুহেল ভাট। এই সময়গুলোয় বড় বেশি করে ম্যাকলরেনের অভাব বোঝা যাচ্ছিল।
অথচ ইনজুরি টাইমে গোল করে নর্থ ইস্টকে জিতিয়ে দিলেন জিথিন। বক্সের মাথা থেকে নেওয়া জোরালো শটটা বিশাল সেভ করার পর বারে লেগে বল যখন সামনে পড়ল তখন সেখানে মোহনবাগানের কোনও ডিফেন্ডার ছিলেন না। ছিলেন জিথিন। কাজে লাগালেন সুযোগটাকে। গোটা ম্যাচে অ্যালবার্তোর নেতৃত্বে দুর্দান্ত খেলা মোহনবাগানের রক্ষণ ওই একবারই ভুল করল।
দ্বিতীয়ার্ধে ছাংতেকে তুলে নেওয়ার পর তাঁর দৌড়টা বন্ধ হয়ে যেতেই দুই উইংকে ব্যবহার করে দলটাকে আক্রমণে তুলে আনতে থাকল নর্থ ইস্ট। তবে ম্যাচে প্রাধান্য থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ও জায়গায় মোহনবাগান ফুটবলাররা কেন যে এত মিস পাস করলেন, সেটাই রহস্য।
আর একজন এদিন ডার্বির ফর্মে ছিলেন না। তিনি সমীর জেলকোভিচ। ডার্বির ছন্দটাও ছিল না তাদের খেলায়, তবু এদিন হারা উচিত হয়নি মোহনবাগানের। এরউইন একটু পিছিয়ে গিয়ে খেলতে পারেন বা খেলাতে পারেন ঠিকই, কিন্তু গোলের সামনে ম্যাকলরেনের তীক্ষ্ণতা তাঁর মধ্যে সেভাবে চোখে পড়ছে না। না হলে এই ম্যাচ এভাবে হারে না মোহনবাগান। তবে ইনজুরি সময়ে যেভাবে সময় নষ্ট করলেন নর্থ ইস্ট ফুটবলাররা, তাতে আরও অন্তত এক মিনিট বাড়তি সময় দিতেই পারতেন রেফারি.








