জোড়া শতরানে জাঁকিয়ে বসেছে বাংলা, সেঞ্চুরির পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিষেক পোড়েল
শতরান করার পরই হাঁটুতে মুখ গুঁজে বসে পড়েন। ভেঙে পড়েন কান্নায়। কিছুক্ষণ সময় নেন উঠে দাঁড়াতে। তারপর ব্যাট তুলে অভিবাদন গ্রহণ করেন। ড্রেসিংরুমে সতীর্থরা তখন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে চলেছেন। আইপিএল ২০২৬-এর পর তিনি আবার মাঠে ফিরলেন। জামিন পাওয়ার পর দিল্লির বিরুদ্ধে রঞ্জির প্রথম ম্যাচে বাংলা দলে নির্বাচিত হন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
এই শতরান অনেক কষ্ট লাঘব করল। অনেক দুঃখ ঘোচালো। তাই এদিন কল্যাণীতে দিল্লির বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচে শতরান করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিষেক পোড়েল। মাত্র কয়েক দিন আগেই তিনি জামিন পেয়েছেন। তারপর মাঠে ফিরেই অপরাজিত শতরান। স্বাভাবিকভাবেই আবেগকে ধরে রাখতে পারেননি বঙ্গ ক্রিকেটার।
শতরান করার পরই হাঁটুতে মুখ গুঁজে বসে পড়েন। ভেঙে পড়েন কান্নায়। কিছুক্ষণ সময় নেন উঠে দাঁড়াতে। তারপর ব্যাট তুলে অভিবাদন গ্রহণ করেন। ড্রেসিংরুমে সতীর্থরা তখন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে চলেছেন। আইপিএল ২০২৬-এর পর তিনি আবার মাঠে ফিরলেন। জামিন পাওয়ার পর দিল্লির বিরুদ্ধে রঞ্জির প্রথম ম্যাচে বাংলা দলে নির্বাচিত হন।
২০২২ –এ বাংলার হয়ে অভিষেকের পর এটি তাঁর দ্বিতীয় প্রথম শ্রেণির শতরান। এদিন এক সিএবি কর্তা জানান, ব্যক্তিগত ও আইনগত সমস্যাটা একান্তই পোড়েলের নিজস্ব। যদি পরিস্থিতি বদলায়, তখন তাঁদের দিক থেকে যা করার করবেন, কিন্তু এই মুহূর্তে এই ব্যাপারে তাঁদের কিছু করার নেই।
এদিন পোড়েলের পাশাপাশি শতরান করেন সুদীপ ঘরামিও। জোড়া শতরানের সৌজন্যে দিল্লির বিরুদ্ধে সুবিধাজনক জায়গায় বাংলা। দিল্লির ২৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলার স্কোর ৩ উইকেটে ৩০৪। ১১৪ রানে অপরাজিত আছেন অভিষেক পোড়েল। তাঁর ইনিংসে আছে একটি ওভার বাউন্ডারি ও ১৩টি বাউন্ডারি। অন্যদিকে ২২১ বলে ১২২ রান করে অপরাজিত আছেন সুদীপ ঘরামি।
প্রথম দিন চার উইকেট নিয়ে বাংলার বোলিংকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। আকাশদীপ নিয়েছিলেন দুটি উইকেট ও মুকেশ কুমার নেন একটি উইকেট. তাঁদের দাপটেই দিল্লিকে ব্যকফুটে ঠেলে দেয় বাংলা। তারপর সুদীপ-পোড়েলের দাপটে ম্যাচে জাঁকিয়ে বসেছে বাংলা।








