সভাপতির তিনটি চেক নাকি বাউন্স! হুমায়ুন কবীরের কাছে জবাব চাইলেন ক্ষিপ্ত সমর্থকরা
মহমেডানের ১৩ কোটি টাকা দেনা আছে। নতুন সভাপতি তিনটি চেক দিয়েছিলেন, কিন্তু শোনা যাচ্ছে, তিনটি চেকই নাকি বাউন্স করেছে। ফলে সমস্যা আর পিছু ছাড়ছে না মহমেডানের।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
ছবি আর কিছুতেই বদলাচ্ছে না মহমেডানের। আর্থিক সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার নানা পথ খুঁজেও সুরাহা আর কিছুতেই হচ্ছে না। বাংলার সরকার বদলের মত মহমেডান প্রশাসনেও বড় বদল হয়ে গেল। আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরানোর লক্ষ্যে। কিন্তু সে চেষ্টাও এখনও দিশা দেখাতে পারল না।
আগের সভাপতি আমিরুদ্দিন ববি, দীর্ঘদিনের কর্মকর্তা কামারউদ্দিনরা পদত্যাগ করলেন। নতুন সভাপতি হয়ে এলেন হুমায়ুন কবীর। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন আগের সব ঋণ শোধ করে দেবেন।
মহমেডানের ১৩ কোটি টাকা দেনা আছে। নতুন সভাপতি তিনটি চেক দিয়েছিলেন, কিন্তু শোনা যাচ্ছে, তিনটি চেকই নাকি বাউন্স করেছে। ফলে সমস্যা আর পিছু ছাড়ছে না মহমেডানের।
বৃহস্পতিবার ক্লাবে এই নিয়ে একপ্রস্থ নাটকও হয়ে গেল। খেলা দেখতে এসেছিলেন সভাপতি হুমায়ুন কবীরের ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা। সভাপতিকে না পেয়ে তাঁকেই ঘেরাও করেন ক্ষিপ্ত সমর্থকরা। শেষ পর্যন্ত নিজের ফোন থেকে সভাপতির সঙ্গে সমর্থকদের কথা বলিয়ে দেন ওই কর্মকর্তা।
ক্ষুব্ধ সমর্থকরা ফোনেই সভাপতি হুমায়ুন কবীরের কাছে জানতে চান কেন তিনবার চেক বাউন্স হল? কবে তিনি টাকা দেবেন? কেন দেনা মেটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন? বেশ কিছুক্ষণ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর হুমায়ুন কবীর প্রতিশ্রুতি দেন অগাস্টের ১০ তারিখের মধ্যে তিনি ক্লাবকে টাকা দিয়ে দেবেন। এরপরই সমর্থকরা শান্ত হন। তাঁকে জানিয়ে দেন, ১০ তারিখ পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষা করবেন।
আপাতত তাই ১০ তারিখ পর্যন্ত সবকিছু শান্ত থাকবে। তারপর সভাপতি হুমায়ুন কবীর প্রতিশ্রুতিমত টাকা না দিলে ক্লাবে যে বড় রকমের ঝড় উঠবে, সেটা বোঝাই যাচ্ছে।
