ডুরান্ড ডার্বি মোহনবাগানের, সাহালের গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারাল সবুজ মেরুন
নিষ্প্রাণ ডার্বিতে জয় মোহনবাগানের। সাহাল আব্দুল সামাদের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় সবুজ মেরুনের। বিদেশিরা পরে নামলেন ঠিকই কিন্তু দুদলই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিল নিখাদ ভারতীয় ফুটবলারদের নিয়েই। গোটা প্রথমার্ধই উত্তাপহীন ম্যাচ।

নিষ্প্রাণ ডার্বিতে জয় মোহনবাগানের। সাহাল আব্দুল সামাদের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় সবুজ মেরুনের। বিদেশিরা পরে নামলেন ঠিকই কিন্তু দুদলই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিল নিখাদ ভারতীয় ফুটবলারদের নিয়েই। গোটা প্রথমার্ধই উত্তাপহীন ম্যাচ।
দুটো দলই যে তৈরি নয়, প্রতি মুহূর্তে বোঝা গেল। মাত্র ২-৩ দিন অনুশীলন করে যেমন ম্যাচ হতে পারে তেমনই ম্যাচ হল। তারই মধ্যে মোহনবাগান যতটা তৈরি করতে পেরেছে নিজেদের, ইস্টবেঙ্গল তাও পারেনি। এমনিতেই। দল হিসাবে মোহনবাগান অনেকটাই এগিয়ে। ফলে অন্তত প্রথমার্ধে প্রাধান্য নিয়ে খেললও তারা। বেশ কয়েকবার গোলের কাছেও তারা পৌঁছে গিয়েছিল।
একবার সাহাল টার্ন করে ঠিকমত শট নিতে পারলেন না। অভিষেকের সেন্টারে কিয়ানের হেড চলে গেল সরাসরি গিলের হাতে। সাহাল বক্সে ঢুকেও প্রথম পোস্টের বাইরে মারলেন। এরমধ্যেই প্রতিআক্রমণে দুর্দান্ত একটি ডিফেন্স চেরা পাস বাড়লেন ইস্টবেঙ্গলের রোহিত দানি। কিন্তু ডেভিড সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলেন না।
৫৩ মিনিটের মাথায় সাহালের গোল। ডানদিক থেকে কিয়ানের সেন্টারে গোল করে যান সাহাল। গোল খেয়েই যেন সম্বিত ফিরল ইস্টবেঙ্গলের। মরিয়া হয়ে আক্রমণে উঠলেন জিকসনরা। বেশ কয়েকবার গোলের কাছেও পৌঁছে গেল লালহলুদ। দুবার তো বিশাল কাইথকে দুর্দান্ত একটা সেভও করতে হল। সহজ বল বাইরে মারলেন রশিদ। তবে এই সময় মোহনবাগান গোটা দলটাই গোল ধরে রাখার জন্য নেমে এসে নিজেদের ওপর চাপটা বাড়িয়ে তুলল।
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি হাবাস যেমন নামিয়ে দিলেন রশিদ ও র্যামিরেজকে। পানোসও নামালেন ড্রাজিক আর রডরিগেজ- দুই বিদেশিকে। তবে তাতে খেলার ফলের কোনও বদল হল না। তবে খেলায় কিছুটা রং লাগল।
একদেকে গোল খাওয়ার আগে পর্যন্ত যেমন হাবাসের স্ট্র্যাটেজি ছিল হিসেব করে আক্রমণে যাওয়া। প্রতিআক্রমণ নির্ভর ফুটবল। অন্যদিকে এগিয়ে যাওয়ার পর কেন অত রক্ষণাত্মক হয়ে গেল পানোসের টিম, বোঝা গেল না। আক্রমণাত্মক মানসিকতার জন্যই তিনি পরিচিত। এর জন্য মাশুল দিতে হতে পারত মোহনবাগানকে। তবে দিনের শেষে মরসুমের প্রথম ডার্বি জিতে ডুরান্ডে আপাতত অ্যাডভান্টেজ মোহনবাগান।
