মোহনবাগানও মাঠে মাস্তানি করতে পারে, বললেন দেবাশিস, হাবাসের ওপর ভরসা আছে দেবব্রতদের
দেবাশিস বললেন, “আজ আমাদের অর্ধেক ফুটবলার খেলতে পারেনি, তাও ৩ গোলে জেতা ম্যাচ। এক গোলে জিতেছি। কোচ পানোস দেখিয়ে দিলেন। আমরা তিনটি ট্রফিতে খেলে দুটিতে চ্যাম্পিয়ন ও একটিতে রানার্স। তাও ডুরান্ডে আমাদের ইচ্ছাকৃতভাবে হারানো হয়েছে। ওই জার্নিটা করতে বাধ্য না হলে হয়ত হারতে হত না।“

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
ডুরান্ডের বদলা নিয়ে বেজায় খুশি মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত। ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিয়ে তিনি হাসিমুখে জানালেন, “মাঠে মোহনবাগানও মাস্তানি করতে পারে, সেটা আজ দেখিয়ে দিল।“
তাঁর বক্তব্য, “আজ আমরা পাঁচ গোলে হেরেছি। ওরা সেমিফাইনালে ৭ গোল দেওয়ার পর কলকাতাজুড়ে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে আবার নাকি ১৯৭৫-এর মত হতে যাচ্ছে।“ তাই তিনি পাঁচ গোলের কথা উল্লেখ করেন।
দেবাশিস বললেন, “আজ আমাদের অর্ধেক ফুটবলার খেলতে পারেনি, তাও ৩ গোলে জেতা ম্যাচ। এক গোলে জিতেছি। কোচ পানোস দেখিয়ে দিলেন। আমরা তিনটি ট্রফিতে খেলে দুটিতে চ্যাম্পিয়ন ও একটিতে রানার্স। তাও ডুরান্ডে আমাদের ইচ্ছাকৃতভাবে হারানো হয়েছে। ওই জার্নিটা করতে বাধ্য না হলে হয়ত হারতে হত না।“
তিনি জানিয়ে দিলেন, এখন ময়দান বন্ধ, তাই ট্রফি ক্লাবে নিয়ে যেতে পারছেন না। অফিসে রাখবেন। পুজোর পর লিগ ও শিল্ড ট্রফি একসঙ্গে ক্লাবে থাকবে।
উল্টোদিকে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত লরকার জানিয়ে দিলেন একটা হারে পেশাদারদের ধাক্কা লাগে না। সামনের এএফসির ম্যাচে ভাল ফলের ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদি।
তাঁর আফসোস, শুরুতেই যদি ওই সুযোগটা নষ্ট না হত, তাহলে ফল অন্যরকম হতে পারত। তাঁর স্পষ্ট কথা, যখন সাফল্য আসে, তখন সেটা সকলের সাফল্য আবার ব্যর্থতা এলেও সেটা সকলের ব্যর্থতা। তবে কোচ হাবাসের এপর যে তাঁদের আস্থা আছে, সেটা স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিলেন।
