দ্বিতীয়ার্ধে চেনা মোহনবাগান, অজস্র সুযোগ নষ্ট করেও ২-১ গোলে হারালো পঞ্জাবকে
যে সমস্ত সুযোগ নষ্ট করলেন এরউইন, লিস্টন, মনবীররা, চোখ চেয়ে দেখা যায় না। তারই মধ্যে গোল দুটি করলেন এরউইন ও ড্রাজিচ। তার আগেই অবশ্য তিন মিনিটের মাথায় পঞ্জাবকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যালফ্রেড।

দ্বিতীয়ার্ধে চেনা মোহনবাগান, অজস্র সুযোগ নষ্ট করেও ২-১ গোলে হারালো পঞ্জাবকে
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
চেনা গেল মোহনবাগানকে। অন্তত দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগানের মতই খেলে যুবভারতীতে পঞ্জাব এফসিকে হারালো ২-১ গোলে। কিন্তু দিনের শেষে সেই একটাই প্রশ্ন ঘুর্ ফিরে এলো, কোথায় ম্যাকলরেন কী হল ম্যাকলরেনের নাহলে যে অজস্র সুযোগ তৈরি করেও যে কোনও দিন দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। যে সমস্ত সুযোগ নষ্ট করলেন এরউইন, লিস্টন, মনবীররা, চোখ চেয়ে দেখা যায় না। তারই মধ্যে গোল দুটি করলেন এরউইন ও ড্রাজিচ। তার আগেই অবশ্য তিন মিনিটের মাথায় পঞ্জাবকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যালফ্রেড।
এদিন মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের খেলায় ফিরল দৌড়, ফিরল ট্রানজিশন প্লে। ফিরল মোবিলিটি। কিন্তু প্রথমার্ধে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মিস পাসও হল। ফলে বেশ ঝাঁকুনি দিয়ে যাচ্ছিল পঞ্জাবও।
পাঞ্জজাবও দৌড়োচ্ছিল। সুন্দর সাপোর্টিং প্লে ও থার্ডম্যান মুভকে সম্বল করে ধাক্কা দিচ্ছিল মোহন ডিফেন্সে। বিশেষ করে অভিষেকের পিছনের জায়গাটা চমৎকার ব্যবহার করছিল তারা। ফলে প্রথমার্ধে দারুণভাবেই খেলায় ছিল পাঞ্জাব।
শুরুতেই অ্যলফ্রেড যে গোলটা করলেন তখন সামনে মোহনবাগানের ৪-৫ জন ডিফেন্ডার থাকা সত্ত্বেও কেউ ব্লক করতে পারলেন না। গোলটা অবশ্য মোহনবাগান শোধ করে কিছুক্ষণের মধ্যেই। এরউইন কোনাকুনি শটে গোল করে গেলেন, তবে তার আগে শুভাশিসকে ফাউল করা হলেও রেফারি খেলা থামাননি, অ্যাডভান্টেজ দেন। বেশ ভাল সিদ্ধান্ত।
এরপর শুভাশিসের পাস থেকে এরউইন ভলিটা ঠিকমত কানেক্ট করতে পারলে তখনই এগিয়ে যেত মোহনবাগান। এগোলো বিরতির ঠিক আগে। ড্রাজিচের ২৫ গজের শট ডিফ্লেক্ট হয়ে জালে। তারপরওসুযোগ পেয়েছিলেন এরউইন। জেলকোভিচের শট অর্শদীপ ফেরালে ফিরতি বল ফাঁকায় গোলে ঠেলতে পারলেন না তিনি। এরই মধ্যে একটি সহজ সুযোগ নষ্ট হল পাঞ্জাবেরও।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় জাঁকিয়ে বসল মোহনবাগান। এই সময় পরপর সুযোগ নষ্ট করে গেলেন মনবীর-লিস্টনরা। ৭৫ মিনিটে রীতিমত নাটক। লিস্টন থেকে বল পেয়ে অর্শদীপকে একা পেয়ে গেলেন এরউিন। কিন্তু অবিশ্বাস্য সেভ অর্শদীপের। ফিরতি বলেই প্রতিআক্রমণ. অ্যালফ্রেড দুজন ডিফেন্ডারকে টলিয়েও হারাতে পারলেন না সেই বিশালকে। যেন তিনি দু-একটি দুরন্ত সেভ না করলে মোহনবাগানের ম্যাচ সম্পূর্ণ হয়না!
তবে এদিন অর্শদীপ যেন বিশালকেও ছাপিয়ে গেলেন। অন্তত চারটি ক্ষেত্রে বাঁচালেন নিশ্চিত গোল। আসলে ড্রাজিচের সঙ্গে এদিন জেলকোভিচও মাঝমাঠে দাপুটে ফুটবল খেলায় এবং পরে নেমে থাপাও মানানসই হয়ে ওঠায় দ্বিতীয়ার্ধে চেনা মোহনবাগানকে পাওয়া গেল। তবে কোনওভাবে এই ম্যাচ ড্র হয়ে গেলে হয়ত অর্শদীপ নায়ক হয়ে যেতেন, তবে নিজেদের ক্ষমা করতে পারতেন না এরউইন, লিস্টন, মনবীররাও।








