কে সেরা, মেসি না রোনাল্ডো? নিজের মত জানালেন কিলিয়ান এমবাপে
বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে অন্যদের তুলনা ও এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমবাপে মেসির প্রশংসা করলেও রোনালদোকেও সমান গুরুত্ব দিলেন, সমান মর্যাদা দিলেন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিতর্কগুলোর মধ্যে একটা বড় বিতর্ক হলো—লিওনেল মেসি নাকি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কে সেরা? বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন নিজের নিজের মতামত। কেউ এগিয়ে রেখেছেন মেসিকে, আবার কারও পছন্দ রোনালেডো। তবে বেশিরভাগই মধ্যপন্থা অবলম্বন করেছেন। তবু এই বিতর্ক আছে, থাকবে। এবার এই প্রশ্নে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অন্য কেউ নন, আর এক মহাতারকা কিলিয়ান এমবাপে।
বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে অন্যদের তুলনা ও এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমবাপে মেসির প্রশংসা করলেও রোনালদোকেও সমান গুরুত্ব দিলেন, সমান মর্যাদা দিলেন।
ইরাক ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে এমবাপে বলেন, “আমি জানতাম মেসি গোল করতে থাকবে। সে সবসময়ই গোল করে। সে এগিয়ে আছে, এবং আমি পিছনে। তবে আমি গোল করে যেতে চাই যাতে আমার দল আরও দূর পর্যন্ত যেতে পারে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “যখন আপনি গোল করেন, তখন দলের এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। আর আমার লক্ষ্য হলো বিশ্বকাপ জয় করা।”
বিশ্ব ফুটবলে নিজের প্রভাব ক্রমশই বাড়িয়ে চলেছেন। এ রকম একটা অবস্থায় এমবাপে বলেন, “মেসি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন, ঠিক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো। গত ১৬ বছর ধরে তারা অসাধারণ মানের ফুটবল উপহার দিয়ে আসছে। আমি শুধু সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজের সামর্থ্য দেখানোর চেষ্টা করি।”
তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, মেসি, রোনাল্ডো, আর্লিং হালান্ড ও হ্যারি কেনের মধ্যে কে সেরা? এমবাপের স্পষ্ট উত্তর, “মেসি এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোই সেরা।” না, বিতর্ক নেই, স্পষ্ট মত।
ইরাক ম্যাচটি এমবাপের ক্যারিয়ারে আরেকটি বিশেষ অধ্যায় যোগ করতে চলেছে। ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে এটি হতে যাচ্ছে তার ১০০তম ম্যাচ।
এ প্রসঙ্গে ফরাসি অধিনায়ক বলেন, “জাতীয় দলের চেয়ে বড় কিছু নেই। ১০০ ম্যাচ খেলা মানে একটি ঐতিহাসিক মাইলস্টোন স্পর্শ করা আর বিশ্বকাপের মঞ্চে তা হলে সেটা আরও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটা আমার জন্য আবেগঘন এক মুহূর্ত হতে যাচ্ছে, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলের জয় এবং পরের রাউন্ড নিশ্চিত করা।” স্পষ্টই বুঝিয়ে দিলেন, তাঁর কাছে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলের স্বার্থই অনেক বড়।








