দুর্ধর্ষ ম্যাচে জার্মানিকে হারাল ইকুয়েডর, নক আউটের পথে লাতিন আমেরিকানরা
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইকুয়েডর। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ এই জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
দুর্ষর্ষ ম্যাচ। জার্মানির পাওয়ারের বদলা পাওয়ার, স্পিডের বদলা স্পিড দিয়েই দিয়েছে ইকুয়েডর। সঙ্গে তাদের লাতিন আমেরিকান স্কিল। ফলে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ে যায় চারবাবেরর চ্যাম্পিয়নরা। সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারল না।
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইকুয়েডর। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ এই জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জার্মানি। এর ফলে প্রথমার্ধের শুরুতে লেরয় সানে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরান ইকুয়েডরের তরুণ ফরোয়ার্ড নিলসন অ্যাঙ্গুলো।
প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় ম্যাচ।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে তুলে নেয় ইকুয়েডর। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে তারা জার্মান রক্ষণকে চাপে রাখে। এর ফল মেলে ৭৭তম মিনিটে। দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে গনসালো প্লাটা গোল করে ইকুয়েডরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
শেষ দিকে জার্মানি সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালায়। ইনজুরি সময়ে ডেনিস উনদাভ একটি ভালো সুযোগ পেলেও তার শট সাইড নেটে লাগে। ফলে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইকুয়েডর।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ 'ই'-তে ইকুয়েডরের পয়েন্ট দাঁড়ায় চার। নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা এখন অনেকটাই নিশ্চিত। অন্যদিকে, একই গ্রুপের অপর ম্যাচে আইভরি কোস্ট ২-০ গোলে কুরাসাওকে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তবে হারলেও জার্মানি গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
ম্যাচ শেষে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঠজুড়ে ছিল আনন্দ-উল্লাস, আবেগ আর উদযাপনের দৃশ্য। এই জয় তাদের জন্য শুধু তিন পয়েন্ট নয়, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে চলেছে।
অন্যদিকে, জার্মানির পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও দলটি গ্রুপের শীর্ষে থেকেই পরবর্তী পর্বে যাচ্ছে, তবুও এই হারে তাদের রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
·








