বিশ্বকাপের শুরুর দিকে সঞ্জুর জায়গা হয়নি, সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন গম্ভীর
সম্প্রতি ভারতীয় দলের প্রধান কোচ জানালেন, সঞ্জু স্যামসনকে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই সরাসরি জানিয়েছিলেন। কোনও দলতালিকা বা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে নয়, মুখোমুখি কথা বলেই সঞ্জুকে সিদ্ধান্তের কথা জানান গম্ভীর।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে দল নির্বাচন অনেক সময় ম্যাচের ফলাফলের থেকেও বড় খবর হয়ে ওঠে। কে দলে এলেন, কে বাদ পড়লেন তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। কিন্তু গৌতম গম্ভীরের কাছে শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়াই নয়, সেই সিদ্ধান্ত কীভাবে খেলোয়াড়কে জানানো হচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি ভারতীয় দলের প্রধান কোচ জানালেন, সঞ্জু স্যামসনকে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই সরাসরি জানিয়েছিলেন। কোনও দলতালিকা বা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে নয়, মুখোমুখি কথা বলেই সঞ্জুকে সিদ্ধান্তের কথা জানান গম্ভীর।
“আমি সঞ্জুকে মুখোমুখি বলেছি”, গম্ভীরের এই কথাতেই ফুটে উঠেছে তাঁর ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
কোনও খেলোয়াড়ের জন্য দল থেকে বাদ পড়া সহজ নয়। কিন্তু সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে সরাসরি জানলে অনিশ্চয়তার জায়গাটা অনেকটাই কমে যায়। গম্ভীরের পদ্ধতিতে তাই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে স্পষ্ট যোগাযোগের উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সঞ্জু ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩২১ রান করেছিলেন, তাঁর রান করার গতি ছিল ১৯৯.৩৭। অন্যদিকে অভিষেক শর্মাও ভারতের আক্রমণাত্মক উদ্বোধনী জুটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আবার মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বৈভব সূর্যবংশী জিম্বাবোয়েতে সুযোগ পেয়ে ১৯৬.১০ রান করার গতিতে ১৫১ রান করেছেন। ফলে দলে জায়গার লড়াই যে কতটা তীব্র, তা স্পষ্ট।
তবে পরিসংখ্যানই যে প্রতিটি নির্বাচনের একমাত্র ভিত্তি নয়, গম্ভীরের কথাতেও তার ইঙ্গিত মিলেছে। আর সেখানেই সরাসরি যোগাযোগের গুরুত্ব আরও বাড়ে।
সঞ্জু স্যামসনকে বাদ দেওয়ার ঘটনা তাই শুধু একজন খেলোয়াড়ের দলছুট হওয়ার গল্প নয়। গম্ভীরের অধীনে ভারতীয় দলের অন্দরমহলে এমন এক সংস্কৃতির ইঙ্গিত মিলছে, যেখানে নির্বাচন কঠিন হতে পারে, কিন্তু সেই কঠিন সিদ্ধান্তের কথাটি খেলোয়াড়কে সরাসরি জানানো হবে।








