Vaibhav Sooryavanshi-কে সহ-অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে
“সূর্যবংশীকে সিনিয়র রেড-বল দলের সহ-অধিনায়ক করার পিছনে ভাবনাটা কী, তা জানতে ইচ্ছা করছে। ১২টি ইনিংসে তাঁর রান ২০৭, গড় ১৭.২৫। তাঁর প্রতিভা অসাধারণ, কিন্তু শেখার একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া রয়েছে এবং লাল বলের ক্রিকেটে তিনি সেই প্রক্রিয়ার একেবারে শুরুতে রয়েছেন।”
এক্সট্রাটাইম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০২৬-২৭ মরশুমের দলীপ ট্রফির জন্য ইস্ট জোনের সহ-অধিনায়ক হিসেবে বৈভব সূর্যবংশীর নাম ঘোষণা হতেই চমকে উঠেছে ক্রিকেটমহল। অধিনায়ক হিসেবে ঈশান কিষাণের সঙ্গে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই এত বড় দায়িত্ব পেলেন বৈভব। পূর্বাঞ্চলের নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্তকে কেউ কেউ স্বাগত জানালেও, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এত অল্প বয়সে এবং বিশেষ করে লাল বলের ক্রিকেটে এখনও নিজেকে সেভাবে প্রমাণ না করা বৈভবকে কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল।
ভারতীয় ক্রিকেট বিশ্লেষক হর্ষ ভোগলেও সেই প্রশ্ন তোলা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন। তাঁর মতে, প্রতিভা নিয়ে কোনও প্রশ্ন না থাকলেও লাল বলের ক্রিকেটে বৈভব এখনও শেখার পর্যায়ের একেবারে শুরুতে রয়েছেন। ফলে একটি সিনিয়র রেড-বল দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে তাঁকে বেছে নেওয়ার পিছনে নির্বাচকদের ভাবনাটা ঠিক কী, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভোগলে।
এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ভোগলে লিখেছেন, “সূর্যবংশীকে সিনিয়র রেড-বল দলের সহ-অধিনায়ক করার পিছনে ভাবনাটা কী, তা জানতে ইচ্ছা করছে। ১২টি ইনিংসে তাঁর রান ২০৭, গড় ১৭.২৫। তাঁর প্রতিভা অসাধারণ, কিন্তু শেখার একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া রয়েছে এবং লাল বলের ক্রিকেটে তিনি সেই প্রক্রিয়ার একেবারে শুরুতে রয়েছেন।”
তবে পূর্বাঞ্চল দলে জায়গা করে নেওয়াটাও বৈভবের জন্য নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। আইপিএল এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তাঁর উত্থান রীতিমতো চমকপ্রদ। এবার দীর্ঘ সময়ের ক্রিকেটে নিজেকে আরও পরিণত করার সুযোগ পাবেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
দলীপ ট্রফিতে অভিজ্ঞ বাংলার ব্যাটার অভিমন্যু ঈশ্বরনের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করার কথা বৈভবের। সাদা বলের ক্রিকেটে ইতিমধ্যেই নিজের পরিচিতি তৈরি করলেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এখনও পর্যন্ত মাত্র আটটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৮ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২০৭ রান, সর্বোচ্চ ৯৩। ফলে দলীপ ট্রফি তাঁর কাছে লাল বলের ক্রিকেটে নিজের জায়গা আরও শক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হতে চলেছে।
পূর্বাঞ্চলের বোলিং বিভাগেও রয়েছে অভিজ্ঞতার ছাপ। ভারতীয় দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি এবং বাংলার পেসার মুকেশ কুমারের উপস্থিতি দলকে যথেষ্ট শক্তিশালী করে তুলেছে।
পূর্বাঞ্চল দল: ঈশান কিষাণ (অধিনায়ক), বৈভব সূর্যবংশী (সহ-অধিনায়ক), অভিমন্যু ঈশ্বরন, সুদীপ ঘরামি, মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার, শাহবাজ আহমেদ, সূরজ জয়সওয়াল, বিরাট সিং, কুমার কুশাগ্র, শিখর মোহন, শুভ্রাংশু সেনাপতি, অভিজিৎ সরকার, অনুকূল রায় এবং দেনিশ দাস।
