‘ফাইনালে উঠলেই সোনা’, কোচের বিশ্বাসকে সত্যি করে এশিয়ান গেমসে সুরুচির সোনালি প্রত্যাবর্তন
এশিয়ান গেমসে ভারতের সোনার দৌড় ক্রমশ গতি পাচ্ছে। স্মৃতি মান্ধানা ও তাঁর সতীর্থদের হাত ধরে প্রথম সোনা আসার কয়েক দিনের মধ্যেই শুটিং থেকে এল দ্বিতীয় সোনা। আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে ব্যর্থতা পেরিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প। হরিয়ানার শুটার সুরুচি ইন্দর সিংহ ও কমলজিৎ জুটি শুক্রবার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিশ্র দলগত বিভাগে সোনা জিতে নিলেন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: এশিয়ান গেমসে ভারতের সোনার দৌড় ক্রমশ গতি পাচ্ছে। স্মৃতি মান্ধানা ও তাঁর সতীর্থদের হাত ধরে প্রথম সোনা আসার কয়েক দিনের মধ্যেই শুটিং থেকে এল দ্বিতীয় সোনা। আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে ব্যর্থতা পেরিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প। হরিয়ানার শুটার সুরুচি ইন্দর সিংহ ও কমলজিৎ জুটি শুক্রবার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিশ্র দলগত বিভাগে সোনা জিতে নিলেন।
আইচি সাধারণ শুটিং রেঞ্জে ভারতীয় জুটি মোট ৪৮৪.৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে সবার উপরে শেষ করে। দক্ষিণ কোরিয়ার সুহিয়ন হং ও গেউন চু ৪৭৮.০ পয়েন্ট নিয়ে রুপো পান।
সুরুচির কাছে এই সোনা আরও বিশেষ। ব্যক্তিগত ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে যোগ্যতা পর্ব পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে পারেননি তিনি। ৫৫ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ৫৬৮-১২ গুণক পয়েন্ট নিয়ে তাঁর স্থান হয়েছিল ২৬ নম্বরে। সেই হতাশার পর মিশ্র দলগত বিভাগে নতুন সুযোগ পেয়েই বদলে গেল ছবিটা।
সুরুচি ফাইনালে ওঠার পরই তাঁর কোচ সুরেশ সিংহ বলেছিলেন, “ফাইনালে উঠলে ও সোনা আনবেই।” তাঁর সেই বিশ্বাসের পিছনে ছিল সুরুচির সাম্প্রতিক সাফল্য। ২০২৫ সালে বুয়েনস আইরেস, লিমা ও মিউনিখে পরপর তিনটি বিশ্বকাপের ব্যক্তিগত সোনা জিতেছিলেন তিনি। পরে দোহায় বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতাতেও ব্যক্তিগত সোনা জেতেন এবং গড়েন কনিষ্ঠ বিশ্বরেকর্ড।
মিশ্র দলগত ফাইনালেও শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল ভারত। শেষ পর্যন্ত ৬.৬ পয়েন্টের ব্যবধানে দক্ষিণ কোরিয়াকে পিছনে ফেলে সোনা নিশ্চিত করেন সুরুচি ও কমলজিৎ।
ব্যক্তিগত বিভাগে হতাশার পর এই সাফল্য সুরুচির কাছে শুধু আর একটি পদক নয়। এটি তাঁর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতারও প্রমাণ। কোচ সুরেশের কথায়, হতাশ হলেও সুরুচি জানতেন কীভাবে দ্রুত নিজেকে সামলে আবার সেরাটা দিতে হয় আর সেটাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি।
