দুই ১৯ বছরের তরুণীর বড় সুযোগ, রাশিয়ার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচে অভিষেকের অপেক্ষায় নন্দিনী-সিবানি
ন্দিনী এবং সিবানী দেবী নংমেইকাপামের ফুটবল যাত্রায় এবার আসতে চলেছে নতুন এক অধ্যায়। দু’জনেরই বয়স ১৯, যুব পর্যায়ে নিজেদের ছাপ রাখার পর এবার সিনিয়র ভারতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন তাঁরা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন দুই প্রীতি ম্যাচ তাই তাঁদের সামনে খুলে দিতে পারে সিনিয়র আন্তর্জাতিক ফুটবলের দরজা।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: নন্দিনী এবং সিবানী দেবী নংমেইকাপামের ফুটবল যাত্রায় এবার আসতে চলেছে নতুন এক অধ্যায়। দু’জনেরই বয়স ১৯, যুব পর্যায়ে নিজেদের ছাপ রাখার পর এবার সিনিয়র ভারতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন তাঁরা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন দুই প্রীতি ম্যাচ তাই তাঁদের সামনে খুলে দিতে পারে সিনিয়র আন্তর্জাতিক ফুটবলের দরজা।
কলকাতার কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ৮ ও ১১ অক্টোবর ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২৭ নম্বরে থাকা রাশিয়ার বিরুদ্ধে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল। সেই ম্যাচের প্রস্তুতিতে এআইএফএফ ন্যাশনাল সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে সিনিয়র দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন নন্দিনী ও সিবানী।
নন্দিনীর কাছে এই শিবির শুধু সিনিয়র দলে অনুশীলনের সুযোগ নয়, অভিজ্ঞ ফুটবলারদের কাছ থেকে শেখারও বড় সুযোগ। চণ্ডীগড়ের এই গোলরক্ষক ভারতীয় পুরুষ দলের গোলরক্ষক গুরুপ্রীত সিং সান্ধুকে নিজের অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন।
শিবিরের অভিজ্ঞতা নিয়ে নন্দিনী বলেন, “শিবিরে সবকিছু ভালো চলছে এবং সিনিয়র ফুটবলারদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি গুরুপ্রীত ভাইয়াকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখি। ওঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি এবং ভবিষ্যতেও ওঁর কাছ থেকে শিখতে চাই।”
অন্যদিকে, সিবানীর ফুটবল যাত্রায় অনুপ্রেরণার জায়গা জুড়ে রয়েছেন ভারতীয় মহিলা ফুটবলের অন্যতম পরিচিত মুখ বালা দেবী নংগোম। স্কুলে পড়ার সময় সংবাদপত্রে বালা দেবীর নাম এবং তাঁর ফুটবল জীবনের কথা জানতে পারেন সিবানী। সেই গল্পই তাঁকে ফুটবল খেলতে অনুপ্রাণিত করেছিল।
সিবানী বলেন, “বালা দেবী আমার অনুপ্রেরণা। স্কুলে পড়ার সময় তাঁর নাম শুনেছিলাম এবং সংবাদপত্রে তাঁর সম্পর্কে পড়েছিলাম। সেটাই আমাকে ফুটবল খেলতে অনুপ্রাণিত করেছিল।”
এখন যুব ফুটবলের অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে সিনিয়র আন্তর্জাতিক মঞ্চের চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে দু’জনেই। রাশিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ম্যাচ তাঁদের জন্য হতে পারে একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা।
ভারতের জন্যও এই দুই তরুণীর উপস্থিতি সিনিয়র দলে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়ার ধারারই অংশ। তবে নন্দিনী এবং সিবানীর কাছে লক্ষ্যটা আরও সরল সুযোগ এলে সেটাকে কাজে লাগানো এবং সিনিয়র আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রথম পরীক্ষায় নিজেদের সেরাটা দেওয়া।
