সুযোগ নষ্টে স্বপ্নভঙ্গ ইস্টবেঙ্গলের, কোচের পেনাল্টির দাবি, বিরক্ত হাবাস জানিয়ে দিলেন এভাবে ম্যাচ জেতা যায় না
এত সুযোগ নষ্ট করলে কীভাবে ম্যাচ জিতবে, কোচ হাবাসও ঠিক এই কথাটাই বললেন। এমনকী আল সিবের কোচও মেনে নিলেন, ইস্টবেঙ্গল অনেক সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু গোল করতে পারেনি। আমরা ভাগ্যবান।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু-তে অদ্ভুত ফুটবল খেলছে ইস্টবেঙ্গল। এশিয়ার দ্বিতীয় সারির শক্তিশালী সব দেশের ক্লাবের বিরুদ্ধে ভাল ফুটবল খেলছে। দাপিয়ে খেলছে, অথচ হয় হারছে, নাহলে ড্র করছে। মঙ্গলবারও তার ব্যতিক্রম নয়। ওমানের আল সিবের কাছে ০-২ গোলে হেরে গেল এমন একটা ম্যাচে যেখানে তারাই অন্তত তিন চার গোল করতে পারত।
এত সুযোগ নষ্ট করলে কীভাবে ম্যাচ জিতবে, কোচ হাবাসও ঠিক এই কথাটাই বললেন। এমনকী আল সিবের কোচও মেনে নিলেন, ইস্টবেঙ্গল অনেক সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু গোল করতে পারেনি। আমরা ভাগ্যবান।
কে মিস করেননি ড্যানি র্যামিরেজ থেকে শুরু করে রশিদ, ডেভিড – সবাই। এর পাশাপাশি পূর্বা লাচেংপা এদিনও একটি দুর্ধর্ষ সেভ করলেন। তবে প্রথম গোল না খেলে দ্বিতীয় গোলটিও হয়ত হত না। কারণ শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে গোল শোধের জন্য সবাই আক্রমণে চলে যাওয়ায় একটি ছিটকে আসা বলে প্রতিআক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোলটি হজম করতে হল। কিন্তু তার আগই এই ম্যাচ শেষ করে দিতে পারত ইস্টবেঙ্গল। ।
তবে শুরুতেই চোট পেয়ে আনোয়ারের উঠে যাওয়া সত্যিই ভোগালো ইস্টবেঙ্গলকে। তার ফলে ভারসাম্যটা নষ্ট হয়ে গেল। রশিদ ও জিকসনকে রক্ষনের দিকে বাড়তি নজর দিতে হওয়ায ড্যানি-রশিদ জুটিটা আরও ভাল জমল না। তবে যেভাবে গোল মিস হয়েছে, তারপর বোধহয় এসব কথা না বলাই ভাল।
স্বভাবতই হাবাস খুবই বিরক্ত, অসন্তুষ্ট। রোজ রোজ ৮৫ মিনিটের পর গোল খেতে হওয়ায় ভয়ঙ্কর বিরক্ত তিনি. পাশাপাশি অজস্র সুযোগ নষ্ট নিয়ে বলে দিলেন, এভাবে তো আর ম্যাচ জেতা যায় না! এছাড়া কেন একটি পেনাল্টি পেলেন না, সে প্রশ্নও তুলে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। ম্যাচ শেষে ফাঁকা গ্যালারি থেকে ক্ষীণ কন্ঠে তাঁর সম্পর্কে গো ব্যাক ধ্বনিও দিলেন একজন। হাবাসের কানে সেটা পৌছোলো কি
বিশেষ করে হাবাসের একটি সিদ্ধান্ত বিতর্ক তৈরি করেছে। কেন রোজ রোজ তিনি একে লোবাকে নামাতে এত দেরি করছেন! সত্যিই এএফসিতে হাবাসের ট্র্যাক রেকর্ড ভাল নয়। ভাল ফুটবল খেলেও এবারও সেটাই বজায় থাকছে। আপাতত আইএসএলে মন দিতে হবে, এছাড়া এখন আর কী-ই বা বলবেন তিনি!








