শারারিক সক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছোতে সর্বস্ব দিতে রাজি ছিলাম : মেসি, মেসিই সর্বকালের সেরা : স্কালোনি
“আমি প্রায় এক বছর ধরে এই বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। ডিসেম্বর মাস থেকে আর্জেন্টিনায় কাটিয়েছি। সকাল বিকেল অনুশীলন করেছি। কারণ আমি জানতাম সেরা শারীরিক সক্ষমতায় পৌঁছোনোর জন্য আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে দেবো।“

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
মেসি ম্যানিয়া বিশ্বজুড়ে। বুধবার রাতে এই ৩৯ বছর বয়সে যা করলেন, তাতে তাঁকে টুপি খুলে সেলাম জানাচ্ছে গোটা বিশ্ব। বিস্মিত, অভিভূত, রোমাঞ্চিত বিশ্বের আপামর ফুটবলপ্রেমী। মাঠে তাঁর রণংদেহী মূর্তি দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিল প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডও।
ম্যাচের পর তাই তো তাঁকে আবেগে, প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন সতীর্থ থেকে প্রতিপক্ষ। বিপক্ষ দলের অধিনায়ক হ্যারি কেন বলেছেন, আমরা এমন এক ফুটবলারের উপস্থিতিতে আছি, যিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার।
মেসির আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি আবেগে হাবুডুবু খেতে খেতে জানিয়েছেন, আর কোনও সন্দেহ নেই মেসি সর্বকালের সেরা ফুটবলার। একই কথা বলেছেন প্রতিপক্ষ কোচ থমাস টুচেলও।
আর প্রায় অসাধ্য সাধন করে মেসি নিজে কী বলছেন? “এটা শুধুমাত্র একটা ম্যাচ ছিল না, মরিয়া হয়ে এই জয়টাই চেয়েছিল। আমরা কিন্তু কোনও কিছুই বিনামূল্যে পাইনি”, বলেন আর্জেন্টাইন যুবরাজ।
কীভাবে এই বয়সেও এটা সম্ভব হল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। “আমি প্রায় এক বছর ধরে এই বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। ডিসেম্বর মাস থেকে আর্জেন্টিনায় কাটিয়েছি। সকাল বিকেল অনুশীলন করেছি। কারণ আমি জানতাম সেরা শারীরিক সক্ষমতায় পৌঁছোনোর জন্য আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে দেবো।“
লিও মেসি আরও জানিয়েছেন, “যদিও এটা ছিল একটা ফুটবল ম্যাচ, কিন্তু জাতীয় সঙ্গীত বাজার মুহূর্ত থেকেই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, এটা একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।“
হ্যাঁ, শুধু আর্জেন্টিনীয়দেরই নয়, গোটা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদেরই এক অনন্য অভিজ্ঞতা হল, কীভাবে একটা মানুষ ৩৯ বছর বয়সে এভাবে একটা ফুটবলযুদ্ধ জেতাতে পারেন, এভাবে নিজের দুরন্ত পারফরম্যান্স দিয়ে একটা দলকে উদ্বুদ্ধ করে তুলতে পারেন, ইতিহাসের পাতায় দলিল হয়ে রইল এই ম্যাচ। ম্যাচের এক অমর চরিত্র হয়ে রইলেন লিও মেসি।
