আগরকর থাকবেন, নাকি আসবে নতুন মুখ? বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
এরই মধ্যে জানা গিয়েছে, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সইকিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি নোট প্রস্তুত করেছেন আগরকর। এই বিষয়টি তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। ওই নোট থেকে ইঙ্গিত মিলছে, হয়তো নিজের বর্তমান দায়িত্বের সমাপ্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। যদিও ৪ অক্টোবর তাঁর মেয়াদ শেষ হবে কি না, সে বিষয়ে বিসিসিআই এখনও কোনও সরকারি নিশ্চয়তা দেয়নি।

এক্সটাটাইম ওয়েবডেস্ক: বিসিসিআইয়ের সিনিয়র পুরুষ দলের নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান হিসেবে অজিত আগরকরের মেয়াদ শেষের পথে। তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৪ অক্টোবর, ২০২৬। ২০২৩ সালের ৪ জুলাই প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন আগরকর। ভারতীয় ক্রিকেটের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী সিদ্ধান্তের তদারকি করতে করতে ইতিমধ্যেই তিন বছরেরও বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। তবে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে দাঁড়িয়েও বিসিসিআইয়ের তরফে এখনও স্পষ্ট কোনও বার্তা আসেনি যে তিনি এই দায়িত্বে বহাল থাকবেন কি না।
এই পরিস্থিতিতে বুধবার নয়াদিল্লিতে হতে চলা নির্বাচনী বৈঠক ঘিরে বাড়ছে কৌতূহল। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজের জন্য ভারতীয় দল চূড়ান্ত করবে নির্বাচকমণ্ডলী। এর মধ্যে রয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। আগরকরের চুক্তির মেয়াদ যেহেতু ৪ অক্টোবর পর্যন্ত, তাই বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী এই বৈঠকই প্রধান নির্বাচক হিসেবে তাঁর শেষ বৈঠক হতে পারে।
এর আগে আগরকরকে এক বছরের মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা যত এগিয়ে আসছে, বিসিসিআইয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি।
এরই মধ্যে জানা গিয়েছে, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সইকিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি নোট প্রস্তুত করেছেন আগরকর। এই বিষয়টি তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। ওই নোট থেকে ইঙ্গিত মিলছে, হয়তো নিজের বর্তমান দায়িত্বের সমাপ্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। যদিও ৪ অক্টোবর তাঁর মেয়াদ শেষ হবে কি না, সে বিষয়ে বিসিসিআই এখনও কোনও সরকারি নিশ্চয়তা দেয়নি।
এই মুহূর্তে আগরকরই প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে রয়েছেন এবং আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন। তবে ৪ অক্টোবরের সময়সীমা যত এগিয়ে আসছে এবং মেয়াদ বাড়ানোর কোনও ঘোষণা না হওয়ায়, বিসিসিআইয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে প্রশ্ন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
