চোটের পুনরাবৃত্তি, রিহ্যাবে দীর্ঘ অপেক্ষা! অশ্বিনের প্রশ্নে কাঠগড়ায় প্লেয়ার ম্যানেজমেন্ট
গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েই যদি বারবার তৈরি হয় অনিশ্চয়তা, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই ব্যবস্থাপনা নিয়ে। বারবার চোট, দীর্ঘ পুনর্বাসন এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলোয়াড়দের পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা সব মিলিয়ে তিন ধরনের ক্রিকেটে খেলা ক্রিকেটারদের কীভাবে সামলানো হচ্ছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েই যদি বারবার তৈরি হয় অনিশ্চয়তা, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই ব্যবস্থাপনা নিয়ে। বারবার চোট, দীর্ঘ পুনর্বাসন এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলোয়াড়দের পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা সব মিলিয়ে তিন ধরনের ক্রিকেটে খেলা ক্রিকেটারদের কীভাবে সামলানো হচ্ছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বেঙ্গালুরুর উৎকর্ষকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল ক্রিকেটারদের উন্নত প্রশিক্ষণ, চোটের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের জন্য একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে। কিন্তু একের পর এক চোটের ঘটনায় এখন নজরে এসেছে পুরো প্রক্রিয়াটিই। চোট সারানোর পদ্ধতি, কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে চিকিৎসক দল, উৎকর্ষকেন্দ্র এবং জাতীয় নির্বাচকদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সব ক্ষেত্রেই উঠছে প্রশ্ন।
সাম্প্রতিক উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে তাঁর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চোটের প্রকৃতি আরও গুরুতর হওয়ার বিষয়টি সামনে আসার আগে জাতীয় নির্বাচকরা বুমরাকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ দল নির্বাচনের আগে চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কতটা স্পষ্টভাবে নির্বাচকদের কাছে পৌঁছেছিল, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।
এই পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের চোট সামলানোর ক্ষেত্রে আরও জবাবদিহির প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর প্রস্তাব, টেস্ট, একদিনের এবং টি-টোয়েন্টির জন্য আলাদা দল তৈরি করার কথা ভাবা যেতে পারে। খুব অল্প কয়েকজন ক্রিকেটারই যেন তিন ধরনের ক্রিকেটের মধ্যে যাতায়াত করেন, সেই ব্যবস্থার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।
অশ্বিনের মন্তব্যে আবার সামনে এসেছে বরুণ চক্রবর্তীর ঘটনাও। চোট থেকে ফেরার সময় দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে থাকা এই স্পিনারকে তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগে খেলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন অশ্বিন।
তবে আসল প্রশ্ন আরও বড়। আধুনিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাড়তে থাকা চাপের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কি ভারতের বর্তমান খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর? একের পর এক সফর, তিন ধরনের ক্রিকেটে খেলার চাপ এবং বিশ্রামের সীমিত সুযোগের মধ্যে ক্রিকেটারদের সামলানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
উৎকর্ষকেন্দ্রের তরফে অবশ্য এর আগে জানানো হয়েছে, পেশাদার খেলাধুলায় চোট অনিবার্য। এর প্রাক্তন প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের বক্তব্য, কেন্দ্রটির কাজ শুধু চোট সারানো নয়, ক্রিকেটারদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতিও তার অন্যতম লক্ষ্য।








