বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানোর দিন ১৫ জুলাইকে প্রতি বছর উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ইংল্যান্ডকে হারানোর দিনটিকে ন্যাশনাল ফুটবল টিমস ডে হিসাবে পালন করবে আর্জেন্টিনা। সরকারিভাবে ঘোষণা আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের। প্রত্যেক বছর ১৫ জুলাই দিনটিকে বিশেষভাবে সেলিব্রেট করার ঘোষণা হয়ে গেল।
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ইংল্যান্ডকে হারানোর দিনটিকে ন্যাশনাল ফুটবল টিমস ডে হিসাবে পালন করবে আর্জেন্টিনা। সরকারিভাবে ঘোষণা আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের। প্রত্যেক বছর ১৫ জুলাই দিনটিকে বিশেষভাবে সেলিব্রেট করার ঘোষণা হয়ে গেল।
বিশ্বকাপে তো অনেক ম্যাচই জিতেছে আর্জেন্টিনা! তাহলে কেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ের দিনটি এত স্পেশ্যাল! ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের অধিকার নিয়ে দু দেশের সম্পর্ক, রেষারেষি, বিতর্ক দীর্ঘদিনের। তাই যে কোনও জায়গায় ইংল্যান্ডকে হারানো আর্জেন্টিনীয়দের কাছে অনেক বড় ব্যাপার। বিশ্বকাপের মঞ্চে ওই ম্যাচ জয়ের পর মাঠেই ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার লেখা ব্যানার দেখিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলাররা। ফিফা শাস্তি দেওয়ার কথা ভাবলেও সে দেশের রাজনীতিবিদরা একজোটে ফুটবলারদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ ফকল্যান্ড আইল্যান্ডস আর্জেন্টিনা থেকে ৩০০ মাইল দূরে ও ব্রিটেন থেকে ৮ হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। তার অধিকার নিয়েই সংঘাত। ১৯৮২ সালে দুই দেশের মধ্যে ভয়ঙ্কর যুদ্ধও হয়েছিল।
তার চার বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চেও পড়েছিল তার প্রভাব। সেই ঐতিহাসিক হ্যান্ড অফ গডের পর মারাদোনা বলেছিলেন, এই গোল ফকল্যান্ড যুদ্ধে আর্জেন্টিনীয় সেনাদের মৃত্যুর বদলা। এভাবেই ফুটবল মাঠেও বারবার ফিরে এসেছে ফকল্যান্ড ইস্যু।
সেই ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টিনীয়দের আবেগ কোন জায়গায়, সেটা বোঝা গেল আবার। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে। ইংল্যান্ডকে হারানো মানে যে ফকল্যান্ডের বদলা! এভাবেই দেখে আসছে মেসি মারাদোনার দেশ। ১৫ জুলাই তাই তাদের কাছে হয়ে গেল বিশেষ দিন। আবেগের দিন।
